🎓 মাধ্যমিক রেজাল্ট দেখতে ক্লিক করুন
Click Now

ফের নন্দীগ্রামে দাঁড়াবেন মমতা? কে হতে পারেন বিজেপির প্রার্থী? প্রকাশ্যে এল নাম

Published:

Suvendu Adhikari

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। গতকাল, শুক্রবার কলকাতায় দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম ঘোষণা করেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ, শনিবার সকালে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ নেবেন তিনি। এমতাবস্থায় নন্দীগ্রাম (Nandigram) এবং ভবানীপুরে (Bhowanipore) উপনির্বাচনের প্রসঙ্গ উঠে এল খবরের শিরোনামে। তবে কি ফের ভোটে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবেন মমতা?

নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুর কোথায় হবে উপনির্বাচন?

২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী দুই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন, একটি হল নন্দীগ্রাম এবং অপরটি হল মমতার এলাকা ভবানীপুর। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নিজের এলাকা নন্দীগ্রাম থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে তুমুল শোরগোল শুরু হয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। আর এবারের নির্বাচনে শুভেন্দুর নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরের দিকেও নজর ছিল। ফলস্বরূপ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। এদিকে নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো প্রার্থী দুটি আসন থেকে বিজয়ী হন, তবে তাকে যেকোনো একটি আসন ছেড়ে দিতে হয়। যার ফলে প্রশ্ন উঠছে দুই আসনের বিধায়ক কোন আসন নিজের হাতে রাখবেন?

ধরে রাখবেন ভবানীপুরের আসন!

বিজেপি সূত্রের খবর, দলীয় স্তরে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভবানীপুর নয় এবার নন্দীগ্রামের আসন ছেড়ে দিতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। আসলে ভবানীপুর হল মমতার নিজের এলাকা, আর সেই এলাকায় বিপুল জনমত গঠন করে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো চাট্টিখানি কথা নয়। তাই সেক্ষেত্রে ভবানীপুরের আসন ছেড়ে দিলে রাজনৈতিক স্তরে অন্য বার্তা যাবে। পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী যেহেতু আগামী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন, সেক্ষেত্রে কলকাতার কোনও আসনে তিনি বিধায়ক হিসেবে থাকলে প্রশাসনিক কাজেরও বেশ সুবিধা হবে। আর তাই মমতার গড়কেই বেছে নিলেন শুভেন্দু।

আরও পড়ুন: তৃণমূল হারতেই বিজেপির গুণগান সৌমিতৃষার! কটাক্ষের মুখে অভিনেত্রী

নন্দীগ্রাম থেকে কে লড়বেন?

সূত্রের খবর, নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ অনুগামী কর্মী প্রলয় পাল। ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে লড়াই করার সময় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই প্রলয় পালকে ফোন করেন। নির্বাচনে সাহায্য করার আর্জি জানান। এমনকি সেই সময় প্রলয়ের সঙ্গে মমতার ফোনে কথোপকথনের একটি অডিয়ো ভাইরালও হয়ে যায়। কিন্তু প্রলয় খোদ মুখ্যমন্ত্রীর সেই ফোন অগ্রাহ্য করে শুভেন্দুর প্রতি আনুগত্য বজায় রাখেন। এখন দেখার দলের তরফে কী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে তৃণমূলের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি।