বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মিটেছে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। এখন ভোট গণনা নিয়ে চিন্তিত সব দল (West Bengal Election Vote Counting)। আগামী 4 মে অর্থাৎ সোমবার, বাংলায় ভোট গণনা এবং ফলাফল প্রকাশ। ঠিক তার আগে, রাজ্যের প্রাক্তন ডিজি তথা তৃণমূল নেতা, রাজ্যসভার সাংসদ রাজিব কুমারকে বিশেষ দায়িত্ব দিল দল তৃণমূল কংগ্রেস। জানা যাচ্ছে, আগামী পরশুদিন ভোট গণনার সময় পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পেয়েছেন রাজিব কুমার। সূত্রের খবর, দমদম-ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার গণনা পর্যবেক্ষণ করবেন তিনি। বাংলার প্রাক্তন ডিজির পাশাপাশি রাজ্যের সমস্ত সাংগঠনিক জেলায় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন দেব
শনিবার, দলীয় কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে এক বিশেষ বৈঠককে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই রাজ্যের বিভিন্ন সংগঠনিক জেলায় পর্যবেক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন দুজন। আর এই বৈঠক চলাকালীন দমদম-ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলায় পর্যবেক্ষক হিসেবে উল্লেখ করা হয় রাজীব কুমারের নাম। এদিকে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলায় ফলাফল প্রকাশের দিন ভোট গণনার সময় পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অভিনেতা দীপক অধিকারী ওরফে দেব। একই সাথে মেদিনীপুরের সাংগঠনিক জেলার পর্যবেক্ষক করা হয়েছে জুন মালিয়াকে।
বলাই বাহুল্য, এদিন দলের কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে বৈঠকে পর্যবেক্ষক নিয়োগের কথা জানানোর পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সকলকে একেবারে খোলাখুলি জানিয়ে দেন ভোট গণনার দিন তৃণমূল কংগ্রেসের রণকৌশল ঠিক কী হতে চলেছে। শুধু তাই নয়, ভোটের পর বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষায় যা উঠে আসছে তা যে শুধুমাত্র মনগড়া এবং তৃণমূল কর্মীদের মনবল ভেঙে দেওয়ার চক্রান্ত সেটাও নাকি একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয় কর্মীদের।
অবশ্যই পড়ুন: আড়াই মিনিট অন্তর চলবে মেট্রো, বাংলায় ৮৯৫.৩০ কোটির প্রকল্পে অনুমোদন রেলের
কয়েকটি সূত্রের দাবি, এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে সাথে তৃণমূল কংগ্রেসের সেনাপতি হিসেবে পরিচিত তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের কাউন্টিং এজেন্টের উদ্দেশ্যে খুব পরিষ্কার ভাবে বলেন, 2021, 2024 সালের মতোই পুরোপুরি নিজেদের বাজার গরম করতেই এই ধরনের বুথ ফেরত সমীক্ষা ছড়ানো হচ্ছে। তাঁরা যেন সেসব দিকে কান না দিয়ে ভোট গণনার প্রতি মনোযোগী হন। এদিন তৃণমূল সুপ্রিমোও সকলকে বোঝাতে গিয়ে বলেন, বুথ ফেরত সমীক্ষাগুলিতে বিজেপিকে এগিয়ে রাখার অন্যতম কারণ শেয়ার বাজার চাঙ্গা করা। এতে অযথা চিন্তার কিছু নেই।










