বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দীর্ঘ 21 বছর পর ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে (FIFA World Cup) একে অপরের মুখ দেখতে চলেছে আর্জেন্টিনা এবং ইংল্যান্ড (Argentina Vs England)। লিওনেল মেসিদের কাছে এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ। নরওয়েকে গুঁড়িয়ে দেওয়া ইংলিশ বাহিনীকে রুখতে হলে নিজদের ফুটবল শৈলীতে অতিরিক্ত ভ্যালু যোগ করতে হবে লিওনেল স্কালোনির দলকে। কমবেশি প্রত্যেকেরই জানা, বিশ্বকাপে যতবার ইংল্যান্ড এবং আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হয়েছে প্রায় প্রত্যেক বারই আর্জেন্টিনার পথের কাঁটা হয়েছে এই ইংল্যান্ড। শক্তিশালী দলটি মাঠে কিছুতেই আর্জেন্টিনাকে সুযোগ তৈরি করতে দেয় না। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এই দুই দলের হেড টু হেড পরিসংখ্যান।
আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডের হেড টু হেড পরিসংখ্যান
এবারের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে সবচেয়ে মারমার কাটকাট ম্যাচ হতে চলেছে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ম্যাচই এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচ হিসেবে পরিচিতি পাবে। সবচেয়ে বড় কথা 21 বছর পর মুখোমুখি হতে চলেছে দুটো দেশ। এর আগে 2005 সালে জেনিভায় শেষবারের মতো একটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল আর্জেন্টিনা এবং ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচে অবশ্য 1-2 ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও আর্জেন্টিনাকে 3-2 তে হারিয়ে দিয়েছিল ইংল্যান্ড।
তবে যদি বিশ্বকাপের প্রসঙ্গে কথা বলা যায় সেক্ষেত্রে আজ পর্যন্ত ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে মোট পাঁচবার দেখা হয়েছে আর্জেন্টিনা এবং ইংল্যান্ডের। সেই আসরে মোট তিন বার জিতেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা জিততে পেরেছে মাত্র দুবার। বলাই বাহুল্য, 1962 সালের চিলি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে 3-1 ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছিল ইংল্যান্ড। এরপর 1966 সালের বিশ্বকাপে আবার ইংল্যান্ডের কাছে হারে আর্জেন্টিনা। সে বছর ব্যবধান ছিল 1-0।
অবশ্যই পড়ুন: অবশেষে ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে খেলতে চলেছে ভারত!
যদিও পরবর্তীতে 1986 সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়ে পরাজয়ের শোধ তুলেছিল আর্জেন্টিনা। সে বছর 2-1 ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিয়েছিল মারাদোনার দল। এরপর 1998 সালের বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে 4-3 ব্যবধানে জয়ী হয়েছিল আর্জেন্টিনা। সবশেষে 2002 সালে আর্জেন্টিনাকে 1-0 ব্যবধানে হারিয়ে দেয় ইংলিশ দল। তবে এবার মেসির হাতে সুযোগ আছে সেমিফাইনালে জিতে দুদলের পরিসংখ্যানে সমতা ফেরানোর। প্রশ্ন, ইংল্যান্ডের মতো দুর্ধর্ষ দলকে বধ করে সেটা কি করতে পারবেন লিও?










