প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের (Bangladeshi Infiltrators) নিয়ে বড় পদক্ষেপ প্রশাসনের। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অনুপ্রবেশকারীদের আটক করে রাখা হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টারে (Holding Center)। কড়া নজরদারি শুরু করেছে প্রশাসন, রাজ্য পুলিশের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে মোট ৩৮৬ জন আটক রয়েছেন বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে। ক্ষমতার পালাবদল হতেই সীমান্তে বাড়ছে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভিড়। ইতিমধ্যেই সেই ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টারে থাকা অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।
৩৮৬ জনকে আটক
প্রশাসনের নির্দেশে অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৈরি করা হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। রাজ্য পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে মোট ৩৮৬ জনকে বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে সেই রিপোর্ট। জানা গিয়েছে, সবচেয়ে বেশি আটক রয়েছে বসিরহাট জেলায়, সংখ্যাটা ঠেকেছে ৩৩৫ জনে। তাঁদেরকে বসিরহাটের তেঁতুলিয়া পাথরশাঠি, চারঘাট ফ্লাড সেন্টার এবং মিডিয়া সুবাসনগর ফ্লাড সেন্টারে তাঁদের রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলায় আটক করা হয়েছে ১৯ জন ব্যক্তিকে। তাঁদেরকে ভগবানগোলা ও স্বপন নগর মার্কেট কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
386 persons in total held at the #HoldingCenters at border districts of #WestBengal
Highest number of 335 held in #Basirhat under N 24 Parganas.
Total held:
Male: 182
Female: 109
Child: 95 pic.twitter.com/Rk8Lul7Np8— Sreyashi Dey (@SreyashiDey) May 29, 2026
তালিকায় রয়েছে মহিলা পুরুষ শিশু
প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮ জন এবং মালদায় ৯ জনকে রাখা হয়েছে হোল্ডিং সেন্টারে। বারুইপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫ জনকে। বারাসত থেকে ৩ জনকে উদ্ধার করে দেগঙ্গা পুলিশ স্টেশনে রাখা হয়েছে। এছাড়াও কোচবিহার থেকে ২ জনকে আপনঘর হল এবং দিনহাটা হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জঙ্গিপুর এলাকা থেকেও ২ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়াও সুন্দরবন এবং কৃষ্ণনগর থেকেও ১ জনকে আটক করা হয়েছে। প্রকাশিত এই তালিকায় সর্বমোট পুরুষের সংখ্যা ১৮২, মহিলার সংখ্যা ১০৯ এবং শিশুর সংখ্যা ৯৫।
আরও পড়ুন: অবশেষে মাঠে ফিরছেন অভিষেক, ক্ষত সারাতে শনিবার থেকেই রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। কেউ যাতে পালাতে না পারে তার জন্য প্রতিটি কেন্দ্রেই পুলিশ ও প্রশাসনের তরফে বিশেষ পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে। এছাড়াও তাঁদের থাকা, খাওয়ার ব্যবস্থায় যাতে কোনো ত্রুটি না থাকে সেই দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি, আটক ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই, ডিটেনশন এবং ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে জেলাগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও খবর।










