ডিমের পর এবার পড়ুয়াদের পাতে পড়বে মাছও! জানালেন রাজ্যের মন্ত্রী

Published:

Mid Day Meal

সহেলি মিত্র, কলকাতা: ডিম অতীত! এবার মিড ডে মিলে (Mid Day Meal) দেওয়া হবে মাছও? এমনই আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী। এমনিতেই মিড ডে মিল নিয়ে দীর্ঘ টানাপোড়েন চলছিল। আদৌ এই চালানো হবে কিনা,  যদি চালানো হয় কে খাবার দেবে, সেই নিয়ে উঠছিলো প্রশ্ন। তবে সেই জট অনেকটাই কেটেছে। ইস্কনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মিড ডে মিলের খাবার পরিবেশন করার। সপ্তাহে এমন কী দুদিন দিন দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও এবার মিড ডে মিলে মাছ (Fish) যুক্ত হতে পারে  হলে শোনা যাচ্ছে। আপনার সন্তানের স্কুলেও কি মিড মিল চলে? তাহলে চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

এবার মিড ডে মিলে দেওয়া হবে মাছ!

‘পরবর্তীকালে মিড ডে মিলে মাছও দেওয়া হবে।’ ঠিক এমনই জানালেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। মিড ডে মিলে ডিম থাকা প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী যে ঘোষণা করেছেন তা আমার মনে হয় অত্যন্ত ভালো করেছেন। অন্তত এই বামপন্থী সেকু মাকুরা যে কথা বলছিলেন পড়ুয়াদের একেবারে প্রোটিনের অভাব হয়ে যাবে, পুষ্টির অভাব হয়ে যাবে। এই ঘোষণায় তাদের মুখ অন্তত বন্ধ হবে।’

আরও পড়ুনঃ রাজ্যে অস্থায়ীভাবে ৮০০ হোমগার্ড নিয়োগ, তোড়জোড় শুরু লালবাজারের

এরপরেই তিনি আরও বলেন, ‘শুধু ডিম কেন, পরবর্তীতে মাছও দেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে আরও কিছু পুষ্টিযুক্ত খাদ্যের সংযোজন করা হবে নিশ্চিতভাবে। সরকার রাজ্যের শিশুদের ব্যাপারে চিন্তা করবে।’ তবে কবে থেকে এই মাছ পরিবেশন করা হবে পড়ুয়াদের পাতে, কেই বা দেবে সেই বিষয়ে কোনওরকম মন্তব্য করেননি মন্ত্রী। যদিও সরকার যদি পড়ুয়াদের পাতে মাছ দেয় তাহলে তা যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে সেটা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

মিড ডে মিলে ফিরছে ডিম

কলকাতা সহ বাংলার স্কুলছাত্রছাত্রীদের মিড ডে মিলে ডিম না দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বুধবার  বলেছেন যে, ইস্কন শিশুদের প্রোটিন-সমৃদ্ধ মধ্যাহ্নভোজ সরবরাহ করবে এবং ডিম স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির মাধ্যমে আলাদাভাবে সরবরাহ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, “আগস্ট মাসের ১ তারিখ থেকে একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ইসকনের পক্ষ থেকে শিশুদের ‘সাত্ত্বিক’ ও প্রোটিন-সমৃদ্ধ মধ্যাহ্নভোজ প্রদান করা হবে। এর পাশাপাশি স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির (SHG) মাধ্যমে শিশুদের ডিমও দেওয়া হবে, যাতে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার সরবরাহ করতে পারি। “