বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা (Anandapur Fire Incident) মনে দাগ কেটে রয়েছে সকলের! গোডাউনে আগুন লাগার ঘটনায় নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের 21 জন কর্মী। যদিও পরবর্তীতে তাঁদের কয়েকজনের মৃতদেহ সনাক্ত করে পরিবার। নিরীহদের মৃত্যুর পর মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। একই সাথে পরিবারের অন্তত একজনকে পুলিশের সিভিক কর্মী হিসেবে চাকরি দেওয়ার কথাও বলা হয়। সেই প্রতিশ্রুতির পর বহুদিন কেটে গিয়েছে। আজ পর্যন্ত পরিবারের কেউই পাননি চাকরি। আর কবে হবে কর্মসংস্থান? প্রশ্ন উঠলেও উত্তর দেওয়ার লোক নেই।
চাকরির আশায় মৃতদের পরিবার
ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে বিধানসভা নির্বাচন। এই আবহে মৃত পরিবারগুলির বাড়িতে পৌঁছে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিচ্ছেন শাসক দল তৃণমূল থেকে শুরু করে বিজেপি সহ অন্যান্য বিরোধী পক্ষের নেতাকর্মীরা। তৃণমূলের তরফে আশ্বস্ত করা হচ্ছে কথামতো চাকরি পাবে পরিবারের যে কোনও একজন। কিন্তু কবে? অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে মৃতদের পরিবারগুলির।
দুর্ঘটনায় তমলুকের যুবক বিমল মাইতির মৃত্যু হয়েছিল। আশ্বস্ত করা হয় বিমলের পরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁর স্ত্রী একটি চাকরি পাবেন। তবে মুখে প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে সেই কাজ এখনও হয়নি। সূত্রের খবর, বিমলের স্ত্রীর চাকরির জন্য ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে কবে তিনি চাকরিতে যোগ দেবেন সেই উত্তর নেই কারও কাছে! প্রশাসনের তরফে জানানো হচ্ছে, সামনেই যেহেতু নির্বাচন ফলে প্রশাসনিক অনেক কাজ আপাতত থমকে রয়েছে। একই ঘটনায় ভুক্তভোগী মৃতদের বাকি পরিবারগুলিও।
অবশ্যই পড়ুন: চিনকে উচিত শিক্ষা! শ্রীলঙ্কার বৃহত্তম বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ কারখানা কিনে নিল ভারত
উল্লেখ্য, গত 25 জানুয়ারি মধ্যরাতে আনন্দপুরের দুই গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিখোঁজ হয়ে যান ময়না, নন্দকুমার, তমলুক, পাঁশকুড়া, সুতাহাটা ব্লক, শহীদ মাতঙ্গিনী ব্লকের 21 জন শ্রমিক। যদিও পরবর্তীতে DNA পরীক্ষার মাধ্যমে দেহ সনাক্ত করে 16টি পরিবারের হাতে মৃত দেহ তুলে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে পুলিশের উদ্যোগে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়। মেলে চাকরির প্রতিশ্রুতিও।










