সংখ্যালঘুদের জন্য রাজ্যে চালু হল ‘শিল্প কুঞ্জ’, কী সুবিধা মিলবে?

Published:

Minority

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যের ডবল ইঞ্জিন সরকার বাজেটে সংখ্যালঘুদের (Minority) জন্য বরাদ্দ এবার একধাক্কায় অর্ধেক করেছে, যা নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এমনকি পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়েছিলেন, এই সরকার সংখ্যালঘুদের উন্নয়ন করবে না। তবে তা সত্ত্বেও এবার সংখ্যালঘুদের জন্য বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। এবার এই সম্প্রদায়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে শিল্পী কিংবা স্বনির্ভর গোষ্ঠী সদস্যদের তৈরি পণ্য বাজারজাত করতে চালু হল ‘শিল্প কুঞ্জ’।

সংখ্যালঘুদের জন্য রাজ্য সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘শিল্প কুঞ্জ’

রাজ্যের সংখ্যালঘু বিষয়ক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের উদ্যোগেই বিধান নগরের অমরভবনে পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং বিত্ত নিগমের এই ‘শিল্প কুঞ্জ’ তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ব্যবসায়ীদের তৈরি বিভিন্ন পণ্য সহজেই বাজারজাত হবে। আসলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের এতদিন পর্যন্ত তাদের পণ্য বিক্রি করার জন্য বিভিন্ন মেলা কিংবা অস্থায়ী বিপণন ব্যবস্থার উপর নির্ভর করতে হত। তবে এই বাজারের মাধ্যমে সহজেই তারা পণ্য বিক্রি করতে পারবেন, এবং আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগ পাবেন।

তবে এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো, এই উদ্যোগের ফলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা বিশেষ করে উপকৃত হবেন, এবং তাদের কর্মসংস্থানের হার অনেকটাই বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নিউটাউনের নজরুল তীর্থে ইতিমধ্যেই শিল্প কুঞ্জের তৈরি প্রথম বিপণন কেন্দ্র চালু হয়েছে। আর সেখানে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্য বিক্রি করার সুযোগ পাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: অবশেষে স্বস্তি, অনেকটাই কমল সোনা, রুপোর দাম! আজকের রেট

এমনকি সবথেকে বড় ব্যাপার, অফলাইনে সরাসরি বাজারের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির পাশাপাশি অনলাইনেও প্রোডাক্ট বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন দফতর ই-কমার্সের মাধ্যমে এই সমস্ত প্রোডাক্ট বাজারজাত করবে বলে জানিয়েছে। রাজ্য সরকারের মূল উদ্দেশ্য একটাই, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কিংবা ব্যবসায়ী বা স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোকে আর্থিকভাবে আরও শক্তিশালী করা। আর সেক্ষেত্রে এই ‘শিল্প কুঞ্জ’ হতে পারে বড় হাতিয়ার। এমনকি রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং মাদ্রাসা শিক্ষা উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু নিজেই এই ‘শিল্প কুঞ্জ’ উদ্বোধন করেছেন।