রেহাই চেয়েও লাভ হল না! সুজিত বসুর গ্রেফতারি নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

Published:

Sujit Bose

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: চ্যালেঞ্জ করে হল না লাভ! পুর নিয়োগ মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে (Sujit Bose) স্বস্তি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। শুক্রবার বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের স্পষ্ট নির্দেশ এখনই কোনও অন্তর্বর্তী রেহাই দেওয়া হচ্ছে না। একই সঙ্গে ইডিকে আদালতের নির্দেশ, গ্রেফতারি সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য বিস্তারিত ভাবে আদালতে জমা দিতে হবে। অস্বস্তিতে পড়লেন তৃণমূল নেতা।

গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করলেন সুজিত

গত ১১ মে প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুকে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ১৯ (১) ধারায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বিশেষ আদালতে পেশ করা হলে তাঁকে ইডি হেফাজতে পাঠানো হয়। পরে তিনি জেল হেফাজতে যান। এরপরই তিনি এই গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সুজিতের আইনজীবী এ বিষয়ে হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মামলা দায়েরের অনুমতিও দেওয়াও হয়, আজ ছিল সেই মামলার শুনানি।

সুজিত বসুকে এখনই স্বস্তি দিল না হাইকোর্ট

রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ, শুক্রবার হাইকোর্টের বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের এজলাসে মামলার শুনানিতে সুজিত বসুর হয়ে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরা। আদালতে তিনি দাবি করেন, “আমার মক্কেল গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ করছেন। তিনি অভিযুক্ত নন।” তবে আদালত কোনও রকম রিলিফ দিতে রাজি হয়নি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, বিষয়টি বিস্তারিত শুনানির প্রয়োজন রয়েছে। তাই নিয়মিত বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে। অন্যদিকে গ্রেফতারি নিয়ে ইডির কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সুজিত বসুকেও হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: তিলজলা মামলায় বড় নির্দেশ হাইকোর্টের! এখনই ভাঙা যাবে না বহুতল

প্রসঙ্গত, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনি ভাবে চাকরিপ্রাপকদের নাম সুপারিশ করার অভিযোগ রয়েছে সুজিত বসুর বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগের তীর রয়েছে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের দিকে। ইডি সূত্রে খবর, কমবেশি ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম রয়েছে। আর সেই দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে মনে করছে ইডি। তাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্যও। এখন দেখার ইডি হাইকোর্টে কী রিপোর্ট জমা দেয়।