তিলজলা মামলায় বড় নির্দেশ হাইকোর্টের! এখনই ভাঙা যাবে না বহুতল

Published:

Tiljala Illegal Building Case

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আপাতত ভাঙা যাবে না তিলজলার বেআইনি নির্মাণ (Tiljala Illegal Building Case)। শুক্রবার শুনানিতে স্থিতাবস্থা জারি রাখার নির্দেশ দিলেন হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি শম্পা দত্ত পাল। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে মামলাকারীদের বক্তব্য শুনতে হবে। নিয়মিত বেঞ্চে হবে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

চর্চায় তিলজলার বেআইনি নির্মাণ!

গত ১২ মে তপসিয়ার একটি বহুতলের দোতলায় চামড়ার কারখানায় আগুন লেগে গিয়েছিল। মৃত্যু হয়েছিল দু’জনের। ওই ঘটনার পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, তিলজলার ওই বহুতল বেআইনি ভাবে নির্মিত। তার কোনও বিল্ডিং প্ল্যান নেই এবং সেখানে অবৈধ ভাবে কারখানা চলছিল। তাই বহুতল ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন তিনি। এরপর বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু হলে তা নিয়ে হাই কোর্টে মামলা হওয়ার পর বিচারপতি রায়চৌধুরী স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন। এবার সেই মামলায় পুনরায় একই নির্দেশ দিল বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের বেঞ্চ।

আপাতত ভাঙা যাবে না নির্মাণ!

রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ, শুক্রবার, বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের বেঞ্চে তিলজলার ঘটনার মামলা উঠলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ওই সব নির্মাণ ভাঙার উপর স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। মামলাকারী ভাড়াটিয়াদের ৩০ দিনের মধ্যে বক্তব্য শুনতে হবে। নিয়মিত বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। এর আগে, গত ১৫ মে তিলজলা থানা এলাকার তপসিয়ায় বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলার উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরীর বেঞ্চ। ফলে সাময়িক স্বস্তি পেলেন মামলাকারীরা।

আরও পড়ুন: ঋতুস্রাব স্বাস্থ্যবিধিতে বড় পদক্ষেপ সরকারের! প্রতিটি গার্লস স্কুলে বসবে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন

বেআইনি নির্মাণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উচ্ছেদ বার্তার পর রাজ্যজুড়ে এক বড়সড় শুদ্ধিকরণ অভিযান শুরু হয়েছে। মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়ে যারা অবৈধভাবে ব্যবসা চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ব্যবস্থা নেওয়ার পথেই হাঁটছে নতুন সরকার। চালানো হচ্ছে বুলডোজার, যদিও কিছুদিন আগে আগে রাজ্যে বুলডোজার অ্যাকশন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের এজলাসে দাঁড়িয়ে সওয়াল করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছিলেন, “এটা বুলডোজার রাজ্য নয়। বাংলার মানুষকে বাঁচান। এটা বাংলা।”