সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) নিয়ে আবারও বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিশেষ করে আপনিও যদি অফলাইনে দীর্ঘ ১২ পাতার ফর্ম পূরণ করে থাকেন তাহলে আপনার জন্য রইল জরুরি খবর। গতকাল বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) পশ্চিমবঙ্গের ১ কোটি ১০ লক্ষ মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা ভান্ডার যোজনার আওতায় মাসিক ৩,০০০ টাকার আর্থিক সহায়তা পাঠিয়েছেন। এদিকে এই টাকা কেউ কেউ পেয়েছেন তো আবার কেউ পাননি, তা নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া। যদিও ১২ পাতার ফর্ম পূরণ নিয়ে নতুন করে বক্তব্য পেশ করতে শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীকে। মাসিক ৩০০০ টাকা পেতে দীর্ঘ ১২ পাতার ফর্ম পূরণ করা কতটা যুক্তিযুক্ত, কী কী সুবিধা হবে, তা নিয়ে মুখ খুললেন তিনি।
১২ পাতার ফর্ম নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য ১ কোটি ৬০ লক্ষ আবেদনপত্র জমা পড়েছিল। এর মধ্যে নাগরিকত্ব ও বাসস্থান সংক্রান্ত সন্দেহের কারণে ২৭ লক্ষ আবেদনপত্র বাতিল করা হয়েছে। এর পাশাপাশি অফলাইনে পূরণ করা ১২ পাতার ফর্ম যেসব মহিলা পূরণ করেছেন তাঁদের আর কেন্দ্র ও রাজ্যের অন্যান্য প্রকল্পের সুবিধা পেতে কোনওরকম ফর্ম পূরণ করতে হবে না। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। অর্থাৎ বারবার ফর্ম পূরণ করার ঝঞ্ঝাট শেষ।
আরও পড়ুনঃ গিগ ওয়ার্কারদের PF, ESI, দক্ষিণেশ্বর-কালীঘাট ট্রাম! বড় ঘোষণা পরিবহন মন্ত্রীর
তিনি বলেন, “১২ পাতার ফর্ম নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। আসলে ৪ পাতা ছাড়া ফিলআপের কিছু ছিল না। আর একবার আপনি ফিলআপ করে দিয়েছেন, পোর্টালে আপলোড হয়ে গিয়েছে। শুধু এই স্কিম নয়, কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের আরও অসংখ্য স্কিমে আপনি সুযোগ পাবেন। আপনাকে আর ফর্ম পূরণ করতে হবে না। তাই, আপনারাও সহযোগিতা করেছেন। আমরাও আপনাদের ধৈর্যকে কুর্নিশ জানাই। পুরো জুন মাস সময় পেয়েছেন। পুরো জুলাই ও অগস্ট মাস পাবেন। ফর্ম পূরণ করুন।”
বাতিল কয়েক লক্ষ আবেদন
এই প্রকল্পের জন্য করা ২৭ লক্ষ আবেদন বাতিল করার সিদ্ধান্তকে যুক্তি দিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যে, ভারত ও পশ্চিমবঙ্গের করদাতাদের টাকা অ-ভারতীয়দের দেওয়া যায় না। তিনি জানান যে এই প্রকল্পের অধীনে ২৭ লক্ষ আবেদনপত্র বাতিল করা হয়েছে। একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত প্রয়োজন। উল্লেখ্য, এই প্রকল্পটি পূর্ববর্তী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল সরকারের বাস্তবায়িত লক্ষ্মী ভান্ডার প্রকল্পের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের অধীনে সুবিধাভোগীরা প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা পেতেন। তফসিলি উপজাতি মহিলারা পেতেন ১,৭০০ টাকা।










