মাসে ৬১ হাজার টাকা পেনশন, ১ কোটিরও বেশি সঞ্চয়, PF-এ কীভাবে বিনিয়োগ করবেন জানুন

Published:

Public Provident Fund

অনন্যা সরকার, কলকাতা: বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড (Public Provident Fund) বিনিয়োগের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অধিকাংশক্ষেত্রে বেসরকারি কর্মীদের জন্য এই পিপিএফ অবসর-পরবর্তী পেনশন প্রকল্পের মতোই কাজ করে। এমনকি এই স্কিমের অধীনে প্রতি মাসে প্রায় ৬১,০০০ টাকা করে পেনশন পাওয়া যেতে পারে। বর্তমানে পিপিএফ প্রকল্পে বার্ষিক ৭.১% হারে সুদ মেলে। তাই প্রত্যেক মাসে এই পরিমাণ টাকা পেনশন হিসাবে পেতে হলে কীভাবে বিনিয়োগ করা উচিৎ, আসুন জেনে নেওয়া যাক।

পিপিএফ-এ বিনিয়োগ করে ১ কোটি টাকা সঞ্চয় করবেন কিভাবে?

যদি, ধরে নেওয়া হয় কোনো ব্যক্তির পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডে প্রতি বছর বিনিয়োগের পরিমাণ ১.৫ লাখ টাকা। বর্তমানে ৭.১ শতাংশ সুদ পাওয়া যাচ্ছে। এবার ধরা যাক যে, ওই ব্যক্তি ১৫ বছরের পরে তাঁর পিপিএফের মেয়াদ বাড়ালেন, তখনও সুদের হার ৭.১ শতাংশ থাকলে ১৫ বছরে মোট ৪০.৬৮ লাখ জমবে।

আরও পড়ুন: ২০২৭ থেকে মহিলারা বছরে পাবেন ৪০ হাজার টাকা, সমাজবাদী পেনশনের ঘোষণা

এরপর প্রথম দফায় ৫ বছর মেয়াদ বৃদ্ধির করে ২০ বছরে ৬৬.৫৮ লাখ টাকা জমানো যাবে। দ্বিতীয় দফায় আরও ৫ বছর মেয়াদ বৃদ্ধি করার ফলে ২৫ বছরে ১.০৩ কোটি টাকা জমানো সম্ভব। অর্থাৎ মোট বিনিয়োগের অঙ্ক ১ কোটি টাকার গণ্ডি পার করতে গেলে ২৫ বছর ধরে বার্ষিক ১.৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। উল্লেখ্য, পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ১.৫ লক্ষ টাকাই লগ্নি করা যায়।

আরও পড়ুন: ISRO-র পরীক্ষায় পাস, এরপর ২১ বছর বয়সে UPSC ক্র্যাক করে আজ IAS সুরভি

কীভাবে পিপিএফ-এর মাধ্যমে মাসিক ৬১,০০০ টাকা পেনশন পাওয়া যাবে?

যদি কোনো ব্যক্তি বছরে ১.৫ লক্ষ টাকা করে পিপিএফ-এ ২৫ বছর বিনিয়োগ করেন এবং এই ২৫ বছরে সুদের হার ৭.১ শতাংশই থাকে, তাহলে মোট ১.০৩ কোটি টাকা জমবে। সেই হিসেবে বার্ষিক সুদ ৭.৩২ লক্ষ টাকা হবে এবং প্রতি মাসে ৬০,৯৮৯ টাকা (৭.৩২÷১২) করে পাওয়া যাবে। অর্থাৎ পেনশন হিসেবে প্রতি মাসে প্রায় ৬১,০০০ টাকা উপার্জন করা সম্ভব হবে। আর যেহেতু এটা শুধুই সুদ, তাই পিপিএফের ১.০৩ কোটি টাকা অক্ষতই থাকবে।