সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: স্বচ্ছতার সঙ্গেই দেওয়া হবে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা। এ কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আগেই জানিয়েছিলেন। সেই কারণেই অন্নপূর্ণা যোজনাসহ অন্যান্য প্রকল্পে বারবার চলছে ভেরিফিকেশন। তবে এবার আবাস যোজনা, ১২৫ দিনের কাজ বা জল জীবন মিশন সহ একাধিক সরকারি প্রকল্প নিয়ে নবান্ন থেকে বড় ঘোষণা করলেন শুভেন্দু। কাজে গাফিলতের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে সরকারি আধিকারিকদের সাসপেন্ডের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
সরকারি প্রকল্প নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
বিজেপির সংকল্পপত্রে দেওয়া সমস্ত প্রতিশ্রুতি এবং সরকারি প্রকল্পগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা করার জন্য এদিন বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্প নিয়ে বড় বার্তা দিয়েছেন তিনি। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এই প্রকল্পের আওতায় সমস্ত অর্ধসমাপ্ত বাড়ির কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়া ১২৫ দিনের কাজ নিয়েও করেন বড় ঘোষণা।
আরও পড়ুন: ‘এক টাকাও অবশিষ্ট নেই,’ PNB শাখা থেকে ৩৫ কোটি টাকা গায়েব! আতঙ্কে বহু গ্রাহক
ভিভি রামজি বা ১২৫ দিনের প্রকল্পের অগ্রগতি অত্যন্ত খারাপ হলেই দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। এমনকি বিডিও আধিকারিকদের গাফিলতি রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সেই আধিকারিকদের বদলির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। এছাড়া কাজের গতি বাড়ানোর জন্য প্রচার অভিযানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রকল্পগুলি অগ্রগতির খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। আয়ুষ্মান ভারতের রিপোর্ট ভালো হলেও মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ বীমা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিকে জল জীবন মিশনের অগ্রগতি নিয়ে সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বাড়তি নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং কাজে গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েও বড় ঘোষণা করেছেন তিনি। রাজ্যের সমস্ত তপশিলি উপজাতি পরিবারগুলির কাছে যাতে সহজেই বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছে যায়, সেই নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: ‘এক পা নেই, সাইকেল দিন রোজ স্কুলে আসব’ রাগিণী আবদার করতেই যা করলেন ডিএম
পাশাপশি কৃষক বন্ধু প্রকল্প নিয়েও করেছেন বড় ঘোষণা। এই প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি সাধারণ মানুষের মধ্যে যাতে খুব দ্রুত প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া যায়, সেই বিষয়ে পরামর্শ চেয়েছেন তিনি। আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যেই হুগলি সফরের আগে এই প্রকল্পের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে। এছাড়া প্রকল্পের ৩০ তম কিস্তির টাকা ঢোকার দিনক্ষণ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।










