সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেলকে (Indian Railways) ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়া হল। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ পশ্চিম রেলকে ১৬ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর রেলকে এই অর্থের দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কর্ণাটকের এক উপভোক্তা কমিশন। নিশ্চয়ই ভাবছেন কেন? চলুন জেনে নিই।
রেলকে ১৬,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ
জানা গিয়েছে, এক রেল যাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু করেছিল মামলা। মামলার পর দক্ষিণ পশ্চিম ভারতীয় রেলকেই দায়ী করেছেন কমিশনের সভাপতি টি শিবান্না এবং সদস্য বিডি যোগানন্দ। এক যাত্রীর অভিযোগের, ট্রেনের শৌচাগারে পর্যাপ্ত জল না থাকায় ট্রেন থেকে নেমে থেকে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি ও তাঁর সঙ্গে সফরতর মোট ২৪ জন সদস্য। ন্যায্য অর্থের বিনিময়ে টিকিট কাটার পরেও রেলের পরিষেবা ঘাটতি, এই অভিযোগে কমিশনের শরণাপন্ন হন তিনি। কমিশনের রায় অভিযোগকারী রেল যাত্রীর পক্ষে গিয়েছে।
আরও পড়ুন: পার্লারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, বাড়িতেই ৫টি ধাপে করুন গ্লোয়িং মেকআপ
রায় অনুযায়ী, টিকিটের ভাড়া বাবদ ১,০০০ টাকা, ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং মামলা পরিচালনার খরচ বাবদ ৫,০০০ টাকা দিতে হবে রেলকে। অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী, ২০ জন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রী ও চারজন শিশু সহ মোট ২৪ জন শিবমোগ্গার উদ্দেশ্যে একটি ট্রেনে ওঠেন। তিরুপতি-তিরুমালা মন্দির দর্শন করে বেঙ্গালুরুর যশবন্তপুরা স্টেশন থেকে ট্রেনটিতে উঠেছিলেন। ঘটনাটি গত বছরের এপ্রিল মাসের। অভিযোগ, ট্রেনের শৌচাগারে পর্যাপ্ত জল না থাকার ফলে মাঝপথে তাঁরা ট্রেন থেকে নেমে পড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। পরে, বাকি পথ অতিক্রম করার জন্য আবার নতুন করে কাটা হয় টিকিট।
যাত্রীর অভিযোগ ঘিরে শোরগোল
অভিযোগকারী আরো দাবি করেছেন যে তাঁরা বিষয়টি রেল পুলিশের এক কর্মীকে জানিয়েছিলেন। রেল পুলিশ তাঁদের সাহায্য করতে পারেননি। অগত্যা তাঁরা স্টেশন মাস্টারের কাছে অভিযোগ জানান। তাতেও নাকি কাজের কাজ হয়নি। বাকি যাত্রা পথ অন্য ট্রেনে যাওয়ার জন্য পরিবারটি ১,৭৬০ টাকার অতিরিক্ত টিকিট কাটেন বলে দাবি করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ আদালতের রায় সত্ত্বেও ডিএ মেলে না! রাজ্য সরকারকে তোপ মলয় মুখোপাধ্যায়ের
রেলকর্তারা অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, যাত্রার শুরুর বো আগেই কোচগুলোতে জল সরবরাহ করা হয়েছিল এবং ওই ট্রেনটি সম্পর্কে কোনো অভিযোগ তাদের কাছে জমাও পড়েনি বলে দাবি।ট্রেনের ওই বিশেষ কোচে সত্যি পর্যাপ্ত জল ছিল কি না সে ব্যাপারে উপযুক্ত প্রমাণ রেল কর্তৃপক্ষ দেখাতে পারেননি বলে জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে, অভিযোগকারী নিজেদের যাত্রার সপক্ষে কমিশনের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা করেছিল বলে খবর। দুই পক্ষে দাবি ও প্রমাণ খতিয়ে দেখার পর রেলকেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।










