কপাল খুলবে গ্রান্ট ইন এইড কর্মীদের? সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলা নিয়ে বড় আপডেট

Published:

Grant-in-aid

সহেলি মিত্র, কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টের শুনানির পর অবশেষে কি কপাল খুলবে গ্রান্ট ইন-এইড (Grant-in-aid) কর্মীদের? এই নিয়ে এবার মন্তব্য করতে শোনা গেল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষকে। তিনি আশাবাদী, সুপ্রিম কোর্টের তরফে তৈরি করে দেওয়া ইন্দু মালহোত্রার কমিটি থেকে সকলে সুবিচার পাবেন। সকল অভিযোগ নতুন করে তারা এই কমিটিতে জানাবেন। বকেয়া ডিএ মামলা থেকে শুরু করে গ্রান্ট ইন এইড কর্মীদের টাকা না পাওয়া নিয়ে সবকিছুই নতুন করে ইন্দু মালহোত্রার কমিটিতে তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন ভাস্কর ঘোষ।

গ্রান্ট ইন কর্মীদের জন্য সুখবর!

ভাস্কর ঘোষ একটি ফেসবুক ভিডিওতে জানান, ‘সুপ্রিম কোর্টে আমাদের ডিএ মামলার ডিটেইল শুনানি হয়েছে এবং এই শুনানিতে আমাদের সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে আমরা সিনিয়র আইনজীবী বিকাশ সিংকে নিযুক্ত করেছিলাম এবং তিনি গ্রান্ট ইন এইড-এর বিষয়টা তুলেছিলেন। আমরা চেয়েছিলাম বিগত ৫ মে মাননীয় বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রা কমিটির কাছে যে অ্যাফিডেভিট আমরা ফাইল করেছিলাম, সেই কমিটির মাধ্যমেই বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তি হোক। কারণ রাজ্য সরকার বরাবরই বলে আসছে যে মালহোত্রা কমিটির নির্দেশ মতো গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

ভাস্কর ঘোষ জানান, ‘সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে প্রতিনিধি এবং আইনজীবীরা যাবেন মাননীয় মালহোত্রার কমিটির কাছে, তাদের রিপ্রেজেন্টেশন রাখবেন, বক্তব্য রাখবেন। সেখানে যেমন কন্টিফিকেশন নিয়ে কথা হবে সেখানে যেমন সরকারি কর্মচারীদের যে যে অংশ বাদ পড়ে গেছে, তাঁদের সব বিষয়গুলোকে আমরা তুলে সেখানে নিষ্পত্তির চেষ্টা করব। তারপরে আমরা এবং সেখানে কি হচ্ছে সব জানাবো। যদি মাননীয়া ইন্দু মালহোত্রা কমিটির কাছ থেকে আমরা সুবিচার না পাই তখন আবার এখানে আসা যাবে। আমার মনে হয় যে তার আগেই আমরা ন্যায়বিচার পাবো। সুতরাং গ্রান্ট ইন এইড কর্মীদের জন্য দিনটি সোনালী ও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

আরও পড়ুনঃ ৩৩ শিল্প ইউনিটকে জমি দিচ্ছে রাজ্য, হবে প্রায় ৭০ হাজার জনের কর্মসংস্থান

ডিএ মামলায় বড় রায় আদালতের

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের বকেয়া ডিএ নিয়ে কর্মচারীদের অভিযোগ শুনবে সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন উচ্চপর্যায়ের কমিটি। বুধবার বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও বিচারপতি পি কে মিশ্রর বেঞ্চ জানায়, মামলাকারী সরকারি কর্মচারী সংগঠনের মোট ১০ জন প্রতিনিধি কমিটির কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন। তাঁদের মধ্যে ৫ জন আইনজীবী এবং ৫ জন কর্মচারী সংগঠনের প্রতিনিধি থাকবেন। আট সপ্তাহ পরে মামলার পরবর্তী শুনানি। রাজ্য সরকারের দাবি, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ইতিমধ্যে প্রায় ৭৭০০ কোটি টাকা, অর্থাৎ বকেয়া ডিএ-র ৬৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা শীর্ষ আদালতে এই তথ্য জানান।