মিলছে না পারিশ্রমিক! নির্বাচনের আগে বকেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ ভোট কর্মীদের

Published:

West Bengal Election 2026

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ বাংলায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচন (West Bengal Election 2026)। তবে তার আগেই ভোট কর্মীদের বিক্ষোভ। নির্বাচনের কাজে গিয়ে পাওনা পারিশ্রমিক মিলছে না। অভিযোগ এমনটাই। আর সেই দাবি তুলেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ভোট কর্মীরা। মঙ্গলবার তেহট্টের বেতাই ডঃ বি আর আম্বেদকর কলেজ চত্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ভোট কর্মীদের দাবি, প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দ টাকা থেকে অনেক কম টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হচ্ছে।

কী কারণে তাদের বিক্ষোভ?

আসলে তেহট্ট মহকুমার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য বেতাই ডঃ বি আর আম্বেদকর কলেজ এবং বেতাই পলিটেকনিক কলেজকে ডিসিআরসি কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এদিন সকালে ভোট কর্মীরা যখন তাদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিতে এবং বুথে যাওয়ার জন্য জড়ো হয়, ঠিক তখনই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনের প্রশিক্ষণের জন্য যে টাকা দেওয়ার কথা ছিল, অ্যাকাউন্টে তার থেকে অনেকটাই কম টাকা জমা পড়ছে। এমনকি তৃতীয় পোলিং অফিসারের জন্য নির্ধারিত ২১১০ টাকার পরিবর্তে মাত্র ১৯৪০ টাকা জমা পড়েছে। একইভাবে প্রথম ও দ্বিতীয় পোলিং অফিসারদের প্রাপ্য টাকাতেও গরমিল দেখা যাচ্ছে।

তবে বিক্ষোভের জেরে বুথগুলোতে যাওয়ার প্রক্রিয়া কার্যত থমকে যায়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখেই সেখানে তেহট্টের মহাকুমা শাসক অভিজিৎ রায় পৌঁছন। তিনি বিক্ষোভকারী ভোট কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন আর বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে টাকা দেওয়া শুরু করলে আনুমানিক প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিক্ষোভ তুলে নেন কর্মীরা।

আরও পড়ুন: সাতসকালেই ময়দানে নামলেন মমতা, কড়া নজর ভবানীপুরের বুথে বুথে

এদিকে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনার পর মহকুমা শাসক অভিজিৎ রায় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, একটা যান্ত্রিক বা প্রশাসনিক সমস্যার কারণে টাকা জমা করতে কিছুটা ভুলভ্রান্তি হচ্ছিল। তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। আমরা ভোট কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছি। সমস্যার সমাধান হয়ে গিয়েছে। এখন সকলেই বুথের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন।