সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে কৃষক বন্ধু (Krishak Bandhu) প্রকল্পে আবারও নতুন করে আবেদন শুরু হয়েছে। এমনকি এই প্রকল্পের আওতায় উপভোক্তাদের তথ্য পুনরায় যাচাই করার মাধ্যমে ফিল্ড ভেরিফিকেশন শুরু হয়েছে। সেক্ষেত্রে একটি লম্বা আবেদনপত্র পূরণ করতে হচ্ছে, যেখানে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য থেকে শুরু করে জমির তথ্য, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ডিটেলস বা অন্যান্য তথ্য প্রয়োজন পড়ছে। কীভাবে এই ফর্ম পূরণ করবেন তা বিস্তারিত জানাবো এই প্রতিবেদনে।
কৃষক বন্ধুর নতুন ফিল্ড ভেরিফিকেশ
আসলে কৃষক বন্ধু প্রকল্পে আগে থেকে নিবন্ধিত কৃষকদের তথ্য আবারও পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে। তার জন্যই এই ফিল্ড ভেরিফিকেশন ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হল প্রকৃত সুবিধাভোগীদেরকে সনাক্ত করে অযোগ্য আবেদনকারীদেরকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া। তাই যদি আপনার কাছেও এরকম ফর্ম আসে তাহলে কীভাবে তা পূরণ করবেন তা জানতে হলে প্রতিবেদনটি পড়ুন।
কীভাবে পূরণ করবেন কৃষক বন্ধুর ফর্ম?
কৃষক বন্ধুর ফর্ম পূরণ করতে বেশ কিছু তথ্য দেওয়া লাগছে। যেমন প্রথমেই আপনার কৃষক বন্ধু আইডি দিতে হবে। তারপর ক্রমিক সংখ্যার জায়গায় কিছু লেখার দরকার নেই। এরপর সুবিধাভোগীর নাম লিখতে হবে। তারপর অভিভাবক কিংবা বাবা-মা, স্বামী-স্ত্রীর নাম লিখতে হবে। এবার ঠিকানা, জেলা, ব্লক, গ্রাম পঞ্চায়েত এবং মৌজা বা গ্রামের নাম সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। এরপর সুবিধাভোগীর বিবরণের জায়গায় প্রথমে ব্যাংক ও শাখার নাম লিখতে হবে। তারপর আইএফএসসি কোড এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নম্বর লিখতে হবে। এরপর আধার সংযুক্ত মোবাইল নম্বর, আধার নম্বর, ভোটার কার্ডের নম্বর, বিধানসভার নম্বর, পার্ট নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর সঠিকভাবে বসাতে।
তারপর এসআইআর-এ নাম বাদ গিয়েছে কিনা তা লিখতে হবে, ট্রাইবুনালে আবেদন করেছেন কিনা তা লিখতে হবে এবং সিএএ-তে অ্যাপ্লিকেশন পেন্ডিং অবস্থায় আছে কিনা তাও লিখতে হবে। তারপর পিএম কিষান পান কিনা তা লিখতে হবে। এরপর নিজের প্রধান পেশা লিখতে হবে। তবে এখানে অবশ্যই কৃষক লিখবেন। এরপর চাষযোগ্য জমির বিবরণের জায়গায় জমির পার্ট নম্বর, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি লিখতে হবে। কত একর জমি রয়েছে তাও লিখতে হবে। এরপর জমির রেজিস্ট্রেশন ডেট লিখতে হবে এবং জমি দখলের ধরন লিখতে হবে। এমনকি আয়কর প্রদান করেন কিনা তাও লিখতে হবে।
আরও পড়ুন: ফ্রান্সের কাছে হেরে লন্ডনে তাণ্ডব মরক্কোর সমর্থকদের! গ্রেফতার একাধিক
পরবর্তী পৃষ্ঠায় স্বামী বা স্ত্রীর বিবরণের জায়গায় প্রথমে তাঁর নাম লিখতে হবে। এরপর তাঁর ব্যাংকের বিবরণের জায়গায় ব্যাংক এবং শাখার নাম, আইএফএসসি কোড, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নম্বর লিখতে হবে। এরপর আধার সংযুক্ত মোবাইল নম্বর, আধার নম্বর সঠিকভাবে ইনপুট করতে হবে। তারপর ভোটার কার্ডের নম্বর, বিধানসভার নম্বর, পার্ট নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর লিখতে হবে। এরপর কেবিএন-র সুবিধাভোগী কিনা তা লিখতে হবে। তারপর এসআইআর ট্রাইবুনালে আবেদন করেছেন কিনা বা সিএএ- তে নাম রয়েছে কিনা সেগুলি লিখতে হবে। এরপর পিএম কিষানের সুবিধা পান কিনা তা লিখতে হবে এবং প্রধান পেশা লিখতে হবে। সবশেষে সুবিধাভোগীর স্বাক্ষরের জায়গায় নিজের সই করে জমা দিতে হবে।










