সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতে এবার নিজেদের বিনিয়োগের পরিধি বাড়াতে চলেছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় টেক জায়ান্ট গুগল (Google)। তবে এবার তাদের বিনিয়োগে পশ্চিমবঙ্গের জন্য থাকতে পারে বিরাট চমক (Google Invest in Bengal)। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে গুগল কর্তৃপক্ষের একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে বলে খবর। আর সেখানকার প্রস্তাব মেনে গুগল আশ্বস্ত করেছে যে, তাদের আগামী বিনিয়োগের পরিকল্পনায় পশ্চিমবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।
কোন কোন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে পারে গুগল?
বর্তমান সময়ে গুগল ভারতে কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পথ খুঁজছে। বিশেষ করে তিনটি প্রধান ক্ষেত্রে তাদের নজর রয়েছে। প্রথমত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। দেশের এআই পরিকাঠামো উন্নয়নে গুগল বড় বিনিয়োগ করতে পারে। দ্বিতীয়ত সার্ভার ম্যানুফ্যাকচারিং। ভারতের মধ্যেই সার্ভার তৈরীর কারখানা স্থাপন করতে পারে তারা। এছাড়া ড্রোনের উন্নত প্রযুক্তি এবং যন্ত্রাংশ উৎপাদনে তারা বিনিয়োগ করতে পারে বলে দাবি করছে বেশ কিছু রিপোর্ট।
কেন পশ্চিমবঙ্গকে বেছে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে?
আসলে কেন্দ্রীয় সরকারের এক উচ্চপদস্থ আমলার মতে, গুগলের মতো সংস্থা যদি বাংলায় বিনিয়োগ করে, তাহলে তা রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হতে পারে। আর ভারত সরকার ইতিমধ্যে গুগল সহ বিভিন্ন বিশ্ব বিখ্যাত প্রযুক্তি সংস্থাকে অনুরোধ জানিয়েছে, যাতে তারা জিপিইউ চিপ এবং সার্ভার উৎপাদনের মতো উন্নতি প্রযুক্তিগুলি ভারতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করে।
𝗢𝗞𝗔𝗬 𝗚𝗢𝗢𝗚𝗟𝗘, 𝗕𝗘𝗡𝗚𝗔𝗟?
In a meeting with the officials from Google, Government of India has proposed that they should keep West Bengal in mind while investing more in India in the near future. Sources claim that they have received a firm assurance in this regard… pic.twitter.com/2Xx9cpiZw1
— The West Bengal Index (@TheBengalIndex) May 10, 2026
আরও পড়ুন: বেপাত্তা ফলতার ‘পুষ্পা’, ফাঁকা ময়দানে গোল দেবে বিজেপি! আশা শেষ তৃণমূলের
এদিকে কলকাতার রাজারহাটে প্রায় ২৫০ একর জমির উপর তৈরি হচ্ছে সিলিকন ভ্যালি হাব। আর আশা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালের শেষের দিকেই হয়তো এই প্রকল্প সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হতে পারে। আর গুগলের সম্ভ্যাব্য বিনিয়োগও এই হাবকে কেন্দ্র করেই হতে পারে বলে দাবী করছে বেশ কিছু রিপোর্ট। যদি তা সম্ভব হয় তাহলে রাজ্যে কয়েক হাজার নতুন কর্মসংস্থান এবং প্রযুক্তির নতুন জোয়ার নিয়ে আসবে। এক কথায়, রাজ্যের বেকারত্ব অনেকটাই দূর হবে।










