হুগলিতে নতুন কারখানা! তৈরি হবে রেলের বন্দে ভারত থেকে মেট্রোর কোচ, কোথায়?

Published:

Hooghly Rail Factory

সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে ততই জনপ্রিয়তা বাড়ছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express) ট্রেনের। এই ট্রেনটি হল ভারতের প্রথম প্রিমিয়াম এবং সেমি হাইস্পিড ট্রেন। বর্তমানে এমন কোনও রুট হয়তো বাকি নেই যেখানে এই ট্রেন ছুটছে না। যাইহোক, এখন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস নিয়ে প্রকাশ্যে এল বড় আপডেট। শহর-ভিত্তিক জুপিটার ওয়াগন্স (Jupiter Wagons) হুগলি জেলায় বন্দে ভারত এবং মেট্রো কোচ (Hooghly Rail Factory) তৈরির জন্য একটি নতুন উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করতে চলেছে। এর মাধ্যমে এটি হবে পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় রেলওয়ে রোলিং স্টক তৈরির কেন্দ্র।

হুগলি পাচ্ছে নয়া কারখানা

উল্লেখ্য, এর আগে উত্তরপাড়ায় টিটাগড় রেল সিস্টেমসের কারখানায় গত বছর BHEL-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন শুরু হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে বড় তথ্য দিয়েছেন কোম্পানির চেয়ারম্যান এম এল লোহিয়া। তিনি জানান, ‘নতুন যে কারখানায় আমরা বন্দে ভারত, মেট্রো এবং অন্যান্য যাত্রীবাহী কোচ তৈরি করতে চলেছি, সেটি হুগলি জেলায় স্থাপিত হবে। আমরা পরে এর সঠিক অবস্থান জানাব।” তিনি বলেন, এই কারখানাটি তাদের পরিকল্পনাধীন বেশ কয়েকটি নতুন প্রকল্পের মধ্যে একটি। কোম্পানির লক্ষ্য বর্তমানে ৩,০০০ কোটি টাকা থেকে ২০২৭-২৮ সালের মধ্যে ৫,০০০ কোটি টাকা এবং ২০২৮-২৯ সালের মধ্যে ১০,০০০ কোটি টাকা রাজস্ব বৃদ্ধি করা।

ট্রামও তৈরী করবে কোম্পানি?

২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত জুপিটার ওয়াগন্স সারা দেশে নয়টি উৎপাদন কেন্দ্র পরিচালনা করে, যার মধ্যে দুটি পশ্চিমবঙ্গে ব্যান্ডেল এবং তারাতলায় অবস্থিত। নতুন রাজ্য সরকার কলকাতার ট্রাম নেটওয়ার্ক পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা করায়, কোম্পানিটিও ট্রাম তৈরির চুক্তির জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে। চেয়ারম্যান বলেন, “আগে আমরা ট্রামের ট্র্যাক তৈরি করতাম। এটা একটা ভালো খবর যে সরকার ট্রাম নেটওয়ার্ক পুনরুজ্জীবিত করছে এবং আমরা ট্রাম কার ও ট্র্যাক তৈরি করতে প্রস্তুত আমরা সুযোগের অপেক্ষায় আছি।”

আরও পড়ুনঃ নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠক, উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গের জন্য নেওয়া হল একাধিক সিদ্ধান্ত

বাংলার বাইরে, কোম্পানিটি একটি জার্মান অংশীদারের সহযোগিতায় ওড়িশায় ১০০ একর জমির উপর ৩,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে একটি সমন্বিত অ্যাক্সেল ও চাকা তৈরির কারখানা স্থাপন করছে। ডিসেম্বরে অ্যাক্সেল উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে চাকা উৎপাদন শুরু হবে। এম এল লোহিয়া বলেন, সমস্ত আসন্ন প্রকল্পে বিদেশি বিনিয়োগ থাকবে এবং উৎপাদনের ৫০% রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।