সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বাড়ি ভাঙার নোটিশ নিয়ে ইতিমধ্যে সুর নরম করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। অবৈধ নির্মাণ ভাঙার জন্য ৭ দিন সময় দিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। আর সেই অনুযায়ী আজ সময় শেষ হওয়ার কথা। তবে গতকাল আইনজীবী মারফত কলকাতা পুরসভাকে চিঠি পাঠিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ, এবং সেখানে তিনি অতিরিক্ত ১০ দিন সময় চেয়েছেন, যা মঞ্জুর করেছে পুরসভা। এরই মধ্যে আজ বিকালে তাঁর বাড়িতে হানা দিল কলকাতা পুলিশের বিশেষ দল।
শান্তিনিকেতনে কলকাতা পুলিশ
উল্লেখ্য, গত সোমবার অভিষেকের দুই ঠিকানা কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জী রোডের বাড়িতে কলকাতা পুরসভার নোটিশ পাঠিয়েছিল। বাড়ি নির্মাণে পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কিনা সেই সংক্রান্ত তথ্য জানা হয়েছিল। এমনকি শান্তিনিকেতনের বেআইনি অংশ ভাঙারও নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। আর বাকি ১৭টি সম্পত্তিতেও নজরদারি বাড়ায় সংস্থা। এরই মধ্যে তাঁর হরিশ মুখার্জি ঠিকানায় পৌঁছে কলকাতা পুলিশ।
জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন বাসভবনটি আদতে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তি, যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে শেষ হবে না। আর সেই ভবনেরই অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নোটিশ পাঠিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। তবে আজ বিকালে আচমকা কলকাতা পুলিশের একটি বিশেষ টিম শান্তিনিকেতনে পৌঁছয়। সেই সূত্রে রাজনীতি অঙ্গনে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি নতুন করে এবার শান্তিনিকেতনকে নজরে আনল কলকাতা পুলিশ? যদিও এখনও পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। এমনকি সাংবাদিকরা পুলিশ আধিকারিকদের জিজ্ঞাসা করলেও কোনও উত্তর দিতে চায়নি তারা। কিন্তু এ নিয়ে ঘনাচ্ছে রহস্য।
আরও পড়ুন: হোল্ডিং সেন্টারে খুলতেই লালগোলায় বন্দি ৩ বাংলাদেশি, অনুপ্রবেশ নিয়ে কঠোর রাজ্য
সূত্রের খবর, এদিন যে দলটি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছয় তাদেরকে নিয়মিত পোশাকে দেখা যায়। সাধারণ পোশাকেই কয়েকজন আধিকারিক যান, আর কয়েকজনের পরনে পুলিশের সাদা উর্দি ছিল। তবে সবথেকে বড় ব্যাপার, তাঁর বাড়ি থেকে পুলিশ আধিকারিকরা একটি মনিটর নিয়ে বেরিয়ে যান এবং সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতে উঠে চলে যায় তারা। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান আধিকারিকরা। যা নিয়ে রহস্য ঘনাচ্ছে।










