বাংলার ডেস্ক সাংবাদিকরাও পাবেন পেনশন? বিধানসভায় উঠল দাবি

Published:

Bengal Assembly Kunal Ghosh

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: এবার ডেস্কে থাকা সাংবাদিকদের সুবিধার কথা ভেবে বিধানসভায় সওয়াল করলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। সোমবার রাজ্য বাজেটে সাংবাদিকদের জন্য বড় ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সেখানে অবসরপ্রাপ্ত সাংবাদিকদেরকে পেনশন দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছিল রাজ্য সরকারের তরফে। কিন্তু সেই সুবিধা যাতে ডেস্কের সাংবাদিকরাও পায়, তাই নিয়ে এবার মুখ খুললেন কুণাল।

সাংবাদিকদের জন্য আর্থিক সুবিধা সরকারের

উল্লেখ্য, গত সোমবার, বিধানসভায় বাজেট পেশের সময় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছিলেন যে, সমাজ গঠনে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। কিন্তু দেখা যায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর অবসরের সময় অনেক সাংবাদিক আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হন। তাই তাঁদের পাশে দাঁড়াতেই এবার মাসিক পেনশন চালুর ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। প্রতি মাসে মিলবে ৫০০০ টাকা। এছাড়াও জরুরি অবস্থায় যে সমস্ত সাংবাদিকরা জেল খেটেছেন তাঁদের ১০,০০০ টাকা পেনশন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি যে সকল সাংবাদিক মিথ্যে ও ভিত্তিহীন মামলার শিকার হয়েছেন তাঁদেরও সংগ্রামী ভাতা দেবে সরকার। কিন্তু এবার সেই ভাতার সুবিধা নিয়ে আরও এক আবেদন নিয়ে এলেন কুণাল ঘোষ।

বিশেষ আবেদন কুণালের

জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার, ডেস্কে যে সকল সাংবাদিকরা কাজ করেন তাঁদের হয়ে বিধানসভায় সওয়াল করলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি জানান, “সরকারি খাতায় যাঁদের অ্যাক্রিডেশন কার্ড আছে তাঁদেরই সাংবাদিক বোঝানো হয়। সরকারি জায়গা গুলোয় ঢোকার সুবিধার জন্য এই কার্ড দেওয়া হয়। আর সরকারি সুবিধায় দেখানো হয় যে অ্যাক্রিডেশন কার্ড যাঁদের আছে তাঁরাই সাংবাদিক। এদিকে যাঁরা ডেস্কে কাজ করছেন, পুরো চ্যানেল চালাচ্ছেন তাঁরাও কিন্তু সাংবাদিক। তাই অবসরপ্রাপ্ত সাংবাদিক বলতে যদি সকলেই যদি সুবিধা পান। এটা একটু দেখবেন।”

আরও পড়ুন: তামান্না খুনে গুরুগ্রাম থেকে গ্রেফতার আরও ১, কালীগঞ্জ কাণ্ডে মোট গ্রেফতার ৫

আসলে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড হল পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য ওই সংবাদ সংস্থার কর্তৃপক্ষের দেওয়া একটি স্বীকৃতিপত্র। মূলত সরকারের আয়োজিত কোনও অনুষ্ঠানে যাতায়াতের সুবিধার জন্য এই কার্ড দেওয়া হয়। তবে যাঁরা ডেস্কে কাজ করে তাঁরাও একইভাবে সাংবাদিকতার কাজ করে। তাই সুবিধা যাতে সকলের জন্য এক হয় সেই কারণে বিশেষ আবেদন রাখলেন কুণাল। জানা গিয়েছে, বর্তমান অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তও নিজেও একজন সাংবাদিক ছিলেন। এদিন কুণালের এই আবেদন শোনার উঠে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে কিছু বলতে চাইছিলেন কিন্তু তাঁর মাইক বন্ধ থাকায় তাঁর কথা শোনা যায়নি। এখন দেখার এই আবেদন আদেও সফলভাবে কার্যকর হয় কিনা।