পুজোর আগেই ইন্দু মালহোত্রা কমিটির সাথে ডিএ নিয়ে বৈঠক? মিলল আপডেট

Published:

Dearness allowance Meeting

সহেলি মিত্র, কলকাতা: দুর্গাপুজোর মুখে বড় ধাক্কা খেয়েছেন বাংলার সরকারি কর্মীরা। উৎসবের আগে বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে নিষ্পত্তির যে ক্ষীণ আশা ছিল সেটাও এখন ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে সরকারি কর্মীদের। সুপ্রিম কোর্টের তরফে তৈরী করা ইন্দু মালহোত্রার কমিটিতে (Indu Malhotra Committee) ডিএ নিয়ে বৈঠক স্থগিত হয়ে গিয়েছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর ছিল বৈঠক, তবে তা বাতিল হয়েছে। এই নিয়ে ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে সরকারি কর্মীদের। কবে হবে পরবর্তী বৈঠক? আদৌ হবে কিনা এবার তা নিয়ে মুখ খুললেন ডিএ মামলাকারি মলয় মুখোপাধ্যায়।

ডিএ মামলায় পরবর্তী বৈঠক কবে?

ফেসবুকে এই বিষয়ে মলয় মুখোপাধ্যায় একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ”গত ১২ সেপ্টেম্বর ইন্দু মালহোত্রা কমিটির সঙ্গে যে বৈঠকটি ছিল তা বাতিলের কারণ অনেকেই জানতে চেয়েছেন। কারণ আমাদেরও জানা নেই। অনিবার্য কারণ বশত বৈঠক বাতিল হয়েছে সেটাই তাঁরা জমিয়েছেন।’

মলয় মুখোপাধ্যায় আরও লেখেন, ‘অনেকে মনে করছেন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের কারণে বৈঠক বাতিল হয়েছে। সেক্ষেত্রে বলবো তাহলে এই রাজ্যের দুই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের বৈঠক দুটি হল কীভাবে?’

কী বলছেন সাধারণ কর্মীরা?

রাজ্যের সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলির সঙ্গে ফের কবে বৈঠক করবে ইন্দু মালহোত্রার কমিটি? এই বিষয়ে দিনক্ষণ কিছুই জানা যায়নি। ডিএ মামলাকারি মলয় মুখোপাধ্যায় জানান, ‘পরিশেষে বলি, ১৪ সেপ্টেম্বর এখনো অবধি পরবর্তী বৈঠকের তারিখ এখনো জানা যায়নি। জানা গেলেই তা তৎক্ষণাৎ জানিয়ে দেওয়া হবে।’ এই বিষয়ে অনেকে অনেক মন্তব্য করেছেন। একজন সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘যেন তেন প্রকারেণ সময় নষ্ট করার প্রয়াস। অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা এখন অর্ধমৃত। আরও কয়েক বছর কাটিয়ে দিলে মৃতের সংখ্যা যত বাড়বে ততই সরকারের লাভ। সুতরাং বিষয়টি এখন জলের মত পরিস্কার। হিসাবের গরমিল নিয়ে তো মৃত ব্যক্তিরা প্রশ্ন তুলবে না, সরকারের আর্থিক বোঝা কমতে থাকবে।’

আরও পড়ুনঃ সেমিস্টার বদলের জের, উচ্চ মাধ্যমিকের নতুন অ্যাডমিট কার্ড দিতে গিয়ে নাজেহাল স্কুলগুলি

অপর একজন লিখেছেন, ‘প্রত্যেক শাসক চরিত্রগতভাবে একই। হক মারার গুরুমশাই। এবং সেই ছিনিয়ে নেওয়া হক দিয়ে নিজের শাসনের অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা করে। কিন্তু একটা কথা ভুলে যায় যে, শেষ কথা বলে জনতার তর্জনী।’ আরও একজন দাবি করেছেন, ‘এ খেলা চলছে নিরন্তর এ খেলা চলছে নিরন্তর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বা রাষ্ট্রপতিকে জানানোর দরকার আছে।  ত ছাড়া কোন পথ নেই।’