বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সুটিয়ার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস (Barun Biswas) খুনের ঘটনায় এবার নাম জড়াল রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। এবার বরুণ বিশ্বাসের খুনের ঘটনায় তৃণমূল নেত্রীকে ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে দাবি করে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন বরুণের প্রাক্তন সতীর্থ শিক্ষক নন্দদুলাল দাস। সূত্রের খবর, ওই অভিযোগপত্রে নাম রয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সহ একাধিক ব্যক্তির।
মমতার বিরুদ্ধে FIR?
বরুণ বিশ্বাসের এক সময়কার ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা নন্দদুলাল দাস গত মঙ্গলবার বনগাঁর পুলিশ সুপার কলিতা দাশগুপ্তকে একটি চিঠি লেখেন। সেই চিঠিতেই বন্ধু বরুণের মৃত্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে দাবি করেন তিনি। নন্দদুলালের এও অভিযোগ, 2012 সালে বরুণ বিশ্বাসের হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত খুনিদের খুঁজতে তদন্তে বাধা দিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।
বলাই বাহুল্য সুটিয়ায় খুন এবং গণধর্ষণের ঘটনায় একসময় বরুণ বিশ্বাসের সাথে আন্দোলনে পথে নেমেছিলেন এই নন্দদুলাল দাস। তিনিই বনগাঁর পুলিশ সুপারকে চিঠিতে একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বন্ধুর বিচারের জন্য সামনে আসায় তৃণমূল আমলে বারবার হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। বেশ কয়েকবার ওই হত্যাকাণ্ডের দায় সিপিআইএমদের উপর চাপিয়ে দিয়ে গোটা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।
অবশ্যই পড়ুন: ইচ্ছে করেই স্পেনের বিরুদ্ধে খারাপ খেলেছেন মেসিরা? জানাল আর্জেন্টিনা
ওই চিঠিতে বরুণ বিশ্বাসের প্রাক্তন সহযোদ্ধা এও লিখেছেন, 2012 সালের 5 জুলাই, বরুণ বিশ্বাসের হত্যাকাণ্ডে মূল ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এছাড়াও প্রাক্তন শিক্ষকের মৃত্যুর পেছনে আরও একাধিক ব্যক্তি জড়িয়ে রয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এছাড়াও তপন সিংহ, প্রদীপ ঘোষ, ধ্যানেশ গুহ, মিহির বিশ্বাস, দেবেন ঘোষ, বিষ্ণু ঘোষ, সুখেন বালা সহ অনেকেই জড়িত ছিলেন বলেই দাবি করেন নন্দদুলাল একই সাথে তিনি তাঁর এই চিঠিকে FIR হিসেব গ্রহণ করে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের অনুরোধ জানান।










