প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পাকা বাড়ি থাকা সত্বেও সুবিধা নেওয়া হত আবাস যোজনার (PM Awas Yojana)! এবার সেই প্রকল্পের টাকা ফেরতের নোটিস পাঠানো হল বীরভূমের (Birbhum) ২২ জনকে। প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে আগামী ৭ দিনের মধ্যে টাকা ফেরত না দিলে বন্ধ হবে সমস্ত সরকারি সুবিধা! ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশ মতো অযোগ্যদের পাঠানো হয়েছে নোটিস।
২২ জন অযোগ্যকে টাকা ফেরতের নোটিস
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, বীরভূমের নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের ভদ্রপুর ১ নম্বর পঞ্চায়েতের মোস্তফাডাঙ্গা গ্রামে আবাস দুর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে। নথি যাচাই করে জানা গিয়েছে, ওই গ্রামে ২২ জন ভুয়ো তথ্য দিয়ে আবাস যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা তুলে নিয়েছে। আর সেই খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই তুমুল হইচই পড়ে গিয়েছে এলাকায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যোগ্য আবাস যোজনার বাড়ি না পাওয়া নিয়ে একজন অভিযোগ জানিয়েছেন “যারা প্রকৃত যোগ্য তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। যারা বাড়ি পেয়েছেন তাদের প্রত্যেকের পাকা বাড়ি রয়েছে।” আর তাই এবার তাদের প্রত্যেককে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে টাকা ফেরত দেওয়ার নোটিস পাঠিয়েছে ব্লক প্রশাসন।
নির্দেশ অমান্য করলে দেওয়া হবে আইনি শাস্তি
অভিযোগ, আবাস যোজনার টাকা দিয়ে ইতিমধ্যেই কেউ কেউ বিলাস বহুল কংক্রিটের বাড়ি নির্মাণ শুরু করেছেন। তো কেউ বা বলছেন ছেলেকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছে তাই ছেলের নামে বাড়ি এসেছে। তাই টাকা ফেরৎ দিতে নারাজ অনেকেই। তবে সেই সব দাবি মানতে নারাজ জেলা প্রশাসন। তাঁদের স্পষ্ট দাবি, সাত দিনের মধ্যে টাকা ফেরৎ না দিলে উপোভোক্তাদের সরকারি প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে। এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই প্রত্যেককে টাকা ফেরত দেওয়ার নোটিশ পাঠিয়েছে ব্লক আধিকারিকরা।
আরও পড়ুন: নীল-সাদা অতীত! স্কুলের পুরোনো ইউনিফর্ম ফেরায় ব্যাপক খুশি পড়ুয়ারা
নলহাটির ২ নম্বর ব্লকের বিডিও প্রিয়াঙ্কা সাধুখাঁ জানিয়েছেন, “তদন্তের পর টাকা ফেরতের নোটিস পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশ অবশ্যই মানতে হবে। নয় পরে আরও বিপদে পড়তে হবে।” অন্যদিকে রামপুরহাটের বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা জানান, “যারা তথ্য গোপন রেখে আবাস যোজনা টাকা নিয়েছেন তাদের ফেরত দিতে হবে। অন্যথায় প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”










