বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PMAY ) বাংলায় নাম হয়েছিল বাংলার বাড়ি। এই নামকরণ করেছিলেন পূর্বতন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি সেই নাম বদলে রাখা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ আবাস। আর সেই দিনই রাজ্যের 10 লাখ উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে পাঠানো শুরু হয় আবাসের দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ। এরই মাঝে রাজ্যে আরও অন্তত 23 লাখ গৃহহীন পরিবার চিহ্নিত করেছে রাজ্য সরকার (Government Of West Bengal)। তাঁরা কবে পাবেন আবাস যোজনা বা পশ্চিমবঙ্গ আবাসের অর্থ?
রাজ্যের প্রকৃত গৃহহীনরা কবে পাবেন পশ্চিমবঙ্গ আবাসের টাকা?
জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই রাজ্যে অন্তত 23 লাখ পরিবার চিহ্নিত করেছে সরকার, যেই পরিবারগুলি আদতেই গৃহহীন। মূলত আবাস ক্লাস সমীক্ষায় চিহ্নিত হয়েছে এই পরিবারগুলি। সমীক্ষার কাজ শেষ হতে বাকি রয়েছে এখনও চার দিন। যেই কাজ শেষ হবে 15 আগস্ট। তবে এত অল্প সময়ের মধ্যে যাতে সমস্ত কাজ শেষ করা যায় সেজন্য এবার সেলফ সার্ভে পদ্ধতি চালু করেছে রাজ্য সরকার।
জানা যাচ্ছে, বাংলার গৃহহীন মানুষরাই যাতে অনলাইনে এই সার্ভেতে নিজেদের নাম তুলতে পারেন সেজন্য বদ্ধপরিকর পঞ্চায়েত দপ্তর। সেলফ সার্ভেতে নিজেদের নাম তুলতে হলে আবাস প্লাস 2024 অ্যাপটি ওপেন করে নিতে হবে। তারপর সেখান থেকেই গৃহহীন মানুষজন নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। সেই কাজ হয়ে গেলে বাড়িতে গিয়ে ধাপে ধাপে তথ্য যাচাইয়ের কাজ করবেন সরকারী আধিকারিকরা।
অবশ্যই পড়ুন: ক্ষুদিরামের মৃত্যুবার্ষিকীতে রাজ্যের পড়ুয়াদের সিলেবাস নিয়ে বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
পঞ্চায়েত দপ্তরের তরফে একেবারে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, আগামী 15 আগস্টের মধ্যে রাজ্যের যোগ্য উপভোক্তাদের এই প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এর ফলে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে সঠিক ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্টে পশ্চিমবঙ্গ আবাসের টাকা তুলে দেবে সরকার। নবান্ন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ আবাসের টাকা থেকে যাতে যোগ্য উপভোক্তারা বঞ্চিত না হন সেজন্যই এমন প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। সব মিলিয়ে বলাই যায়, 15 আগস্ট তারিখের মধ্যে সমীক্ষার কাজ শেষ হলে পরবর্তীতে বাকি প্রক্রিয়া শেষ করে ধাপে ধাপে রাজ্যের গৃহহীনদের পশ্চিমবঙ্গ আবাসের টাকা দেবে সরকার।










