আবারও মেয়াদ বাড়বে চাকরিহারা ২৬,০০০ শিক্ষকের? আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে SSC

Published:

SSC appeal to Supreme Court

অনন্যা সরকার, কলকাতা: চাকরি হারা ২৬ হাজার শিক্ষক এবং স্কুলগুলির শূন্যপদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। রাজ্যে নতুন সরকার আসার পর নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলেও ওবিসি (OBC) সংরক্ষণ সংক্রান্ত নিয়ম নিয়ে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। এই ২৬ হাজার কর্মীর বিষয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) আবারও দ্বারস্থ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) এবং এসএসসি যৌথভাবে শীর্ষ আদালতে শিক্ষক ও অ-শিক্ষক কর্মীদের মেয়াদ বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছে।

শিক্ষকদের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ এসএসসি

এর আগে সুপ্রিম কোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, ২০২৬-এর আগস্ট মাসের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সেই অনুযায়ী প্রার্থীদের কাউন্সেলিং ও ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তা মাঝপথেই থামিয়ে দিতে হয়। রাজ্য সরকার ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে নতুন নিয়ম তৈরি করেছে, যা কার্যকর করার লক্ষ্যেই এসএসসি এই সিদ্ধান্ত নেয়। এসএসসির চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছিলেন যে, সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ নিয়ে তাঁরা শীর্ষ আদালতে আপিল করেছেন এবং ৮ থেকে ৯ মাস সময় বাড়ানোর আবেদন জানানো হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে।

আরও পড়ুন: হাইকোর্টে সিবিআই-কে তুমুল ভর্ৎসনার পরেই আরজি করে তদন্তকারী আধিকারিকরা

জানিয়ে রাখি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো চাকরি হারা ২৬ হাজার শিক্ষক ও অ-শিক্ষক কর্মীদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৩১ আগস্ট। এরপর তারা আর স্কুলে গিয়ে তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না এবং বেতনও বন্ধ হয়ে যাবে। তাই ওই সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে শিক্ষা ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে। এখন সেই পরিস্থিতি সামাল দিতেই এই শিক্ষক ও অ-শিক্ষক কর্মীদের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: তৃণমূল আমলে ১২,০০০ কনস্টেবল নিয়োগে দুর্নীতি, মেধাতালিকায় স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

জানা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির নিয়োগের জন্য ইতিমধ্যেই নথিপত্র যাচাইকরণ এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের জন্য কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া পরিচালনা করছিল এসএসসি। যাঁরা, ইতিমধ্যেই কমিশনের রেকমেন্ডেশন লেটার পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাই এখন স্কুল সার্ভিস কমিশন জাতি-ভিত্তিক সংরক্ষণ নীতি কীভাবে কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে।