“কড়া নজরদারিতে ভোট গণনা” বিজয় মিছিল নিয়ে বড় মন্তব্য সুব্রত গুপ্তর

Published:

Victory Rallies In West Bengal

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Election 2026) কেন্দ্র করে টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়েছে রাজ্য জুড়ে। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা, তারপরেই জানা যাবে যে আগামী পাঁচ বছর বাংলায় কে শাসনকার্য চালাবে, তৃণমূল (TMC) নাকি বিজেপি (BJP)। যদিও পোস্টাল ব্যালট গণনায় একাধিক তথ্য উঠে আসছে। শেষ পর্যন্ত কে বিজয়ী হয়, তা আর কিছু ক্ষণের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। ইতিমধ্যেই গণনা কেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তা কঠোর রাখা হয়েছে। আর এবার বিজয় মিছিল (Victory Rallies In West Bengal) নিয়ে বড় আপডেট দিলেন নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।

গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে নিশ্চিত CEO

বিশেষ নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, “ভোটের গণনা নিয়ে আমরা প্রস্তুত আছি, কোনও গন্ডগোল হবে না। নিরাপত্তায় কোনও গাফিলতি নেই। ঠিক যেমন যেমন ব্যবস্থা হওয়ার ছিল, সেই মতোই হয়েছে। তবে বিজয় মিছিল হবে কি না এই নিয়ে মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছিলেন ডিএমরা এই নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।” এদিকে গণনায় ভোট চুরির আশঙ্কা করছে তৃণমূল এবং বিজেপি দুই দলই। এবার সেই নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে মুখ খুললেন নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। তিনি জানিয়েছেন, “কোনও ভোট চুরির সম্ভাবনা নেই। এমনই ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর মাধ্যমে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

বিজয় মিছিল নিয়ে বড় আপডেট

চূড়ান্ত ভোটের ফলাফল প্রকাশ পাওয়ার পর বিজয় মিছিল নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠে আসছে। এই ব্যাপারে সুব্রত গুপ্ত বলছেন, “আজ কোনও রাজনৈতিক দলই বিজয় মিছিল করতে পারবে না।” এদিকে ভোট গণনায় সাহায্য করার জন্য গণনা পর্যবেক্ষক বা কাউন্টিং অবজার্ভার নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলতা বাদ দিয়ে ২৯৩ কেন্দ্রে ৪৩১ জন অবজারভার নিয়োগ করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি উত্তর ২৪ পরগনায় নিয়োগ করা হয়েছে। সেখানে ৩৩টি আসনে ৪৯ জন গণনা পর্যবেক্ষক রয়েছেন। এছাড়াও রেজাল্টের দিনও যাতে অশান্তি এড়ানো যায়, তার জন্য আগেভাগেই ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন।

আরও পড়ুন: ৫ ট্রাঙ্ক খোলা থাকার অভিযোগ! শিলিগুড়িতে থমকাল ব্যালট ভোট গণনা

রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে সিইও মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছিলেন, “গণনার দিন প্রতিটি কেন্দ্রে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় থাকবে। প্রতিটি স্তরে থাকবেন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। যদি দ্বিতীয় স্তরে কোনও অনিয়ম বা ত্রুটি ধরা পড়ে, তার দায় নিতে হবে প্রথম স্তরের কর্মীদের। একই নিয়ম প্রযোজ্য দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের জন্যও। তবে পুলিশ পর্যবেক্ষকদের গণনাকক্ষের ভিতরে ঢোকার অনুমতি নেই; তাঁদের কাজ শুধুই গণনাকেন্দ্রের বাইরে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা সামলানো।”