সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা, বাংলার DA মামলা নিয়ে কর্মীদের জন্য খারাপ খবর

Published:

Supreme Court Dearness allowance

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোট মিটতে না মিটতেই সুপ্রিম কোর্টে বাংলার ডিএ (Dearness allowance) মামলায় নয়া মোড়। নতুন করে ধাক্কা খেলেন সরকারি কর্মীরা। নতুন সরকার আসার ফলে DA মামলায় কিছু একটা গতি হবে, সেই আশায় বুক বেঁধেছিলেন বাংলার সরকারি কর্মীরা। তবে উল্টে গেল খেলা। আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলায় বিশেষ বেঞ্চ মাননীয় জে.সঞ্জয় করোল এবং জে. পি. কে. মিশ্রার সমন্বয়ে গঠিত ছিল, তবে এখন তা বাতিল করা হয়েছে।

DA মামলায় বাতিল বেঞ্চ

ডিএ মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায় ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেন। তারপর লেখেন, ডিএ মামলায় আজ ৬ মে স্পেশাল বেঞ্চ বসছে না। তাই মামলা হচ্ছে না। সুপ্রিম কোর্টের অফিসিয়াল নোটিশ অনুযায়ী, ৬ মে ২০২৬ (বুধবার) বিভিন্ন বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়। সেইসঙ্গে কিছু নিয়মিত বেঞ্চের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিচারপতি জে.বি. পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কে.ভি. বিশ্বনাথনের সমন্বয়ে একটি বিশেষ বেঞ্চ দুপুর ২টো থেকে বসবে। একইভাবে বিচারপতি উজ্জ্বল ভুইঞা এবং বিচারপতি বিপুল এম. পাঞ্চোলির বেঞ্চও গঠন করা হয়েছে, যা দুপুর ২টো থেকে কার্যক্রম শুরু করবে।

আরও পড়ুনঃ কিছুক্ষণেই মুড সুইং আবহাওয়ার, দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় তুমুল বৃষ্টির আশঙ্কা

নোটিশ অনুযায়ী, আজ বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ৬ মে আদালতে বসবেন না। ফলে তাঁর নির্ধারিত বেঞ্চের কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে। বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের আরেকটি বিশেষ বেঞ্চও বাতিল করা হয়েছে এবং সেই কোর্টে বিচারপতি নংমেইকাপাম কোটিস্বর সিং সারাদিন বসবেন। সব মিলিয়ে, সুপ্রিম কোর্টের নোটিশে ৬ মে ২০২৬ তারিখে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চগুলির পরিবর্তিত সময়সূচি ও গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে।

কী বলছেন সাধারণ মানুষ?

এদিকে বেঞ্চ বাতিল হওয়া নিয়ে নানা মানুষ নানা কথা বলছেন। একজন লিখেছেন, ‘এ তো জানাই ছিল, মামলা করবে কে? যিনি ডিএ দিতে না চেয়ে মামলা করেছিলেন তিনি নেই আর এখন যে সরকার সে তো বোধহয় দিয়ে দিতেই চায়। নতুন সরকারের তো মডিফিকেশন এপ্লিকেশন তুলে নেওয়া উচিত।’ অন্যদিকে আরেকজন লিখেছেন, হতো না, কারণ পিটিশনার পক্ষের উকিল থাকত না, এটা গতকাল সকালে আমি লিখেছিলাম। এখন রেসপনডেন্ট পক্ষ দের নতুন সরকারের কাছে মামলা প্রত্যাহার করার আবেদন করতে হবে, যাতে নতুন সরকার এই মামলা তুলে নেয়। অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘এখন আর মামলার দরকার নেই, বর্তমান সরকার সমস্যা মিটিয়ে দেবে।’