সহেলি মিত্র, কলকাতা: কথা দিয়ে কথা রাখলেন রাজ্যের শিক্ষমন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। অবশেষে বৃদ্ধার হাতে বকেয়া সহ বার্ধক্য ভাতার (Old Age Pension) টাকা তুলে দেওয়া হল প্রশাসনের তরফে। এদিকে টাকা পেয়ে বেজায় খুশি সিউড়ির (Suri) সেই বৃদ্ধা। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।
বকেয়া বার্ধক্য ভাতা পেয়ে বেজায় খুশি বৃদ্ধা
বিধানসভা ভোট প্রচারের সময়ে তৎকালীন বিজেপি প্রার্থীর কাছে বার্ধক্য ভাতা না পাওয়ার অভিযোগ করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘দুই মাস, তিন মাস অন্তর ১০০০, ২০০০ টাকা পাঠায় মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার। ওই টাকায় কি সংসার চলে? বাড়িতে ছেলেরা বেকার। বস্তা তোলে তারপর সামান্য টাকা পায়।’ সেইসময়ে প্রার্থী (Jagannath Chatterjee) আশ্বাস দিয়েছিলেন, পালাবদল ঘটলে বৃদ্ধার হকের টাকা পাইয়ে দেবেন। ফলে যেমন কথা তেমন কাজ। বীরভূমের সিউড়ির হাটজনবাজার এলাকার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কো-অপারেটিভ কলোনির বাসিন্দা শান্ত সাহার কাছে পৌঁছে গেল বকেয়া বাবদ ৫০০০ টাকা।
দীপাবলির আগে ৫০০০ টাকা পেলেন বৃদ্ধা
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শান্ত সাহার বাড়িতে যান বিজেপির মহিলা নেতৃত্ব। তাঁর কাছে জানতে চান, তিনি নিয়মিত বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন কি না। পাশাপাশি কালীপুজোর আগে তাঁর হাতে মিষ্টি ও শাড়ি তুলে দেন তাঁরা। শান্ত সাহা জানান, রাজ্য সরকারের তরফে বার্ধক্য ভাতার নতুন করে যাচাই-বাছাইয়ের পর সম্প্রতি তিনি বকেয়া-সহ মোট ৫০০০ টাকা পেয়েছেন। ভাতার টাকা হাতে পেয়ে তিনি খুশি বলেও জানান।
আরও পড়ুন: বাংলায় জাঁকিয়ে শীতের ইঙ্গিত, আগামীকালই ২০ ডিগ্রির নিচে নামতে পারে পারদ!
সম্প্রতি সিউড়িতে বার্ধক্য ভাতার দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছিলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। যুবক-যুবতীরাও নাকি বার্ধক্য ভাতার টাকা পাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। সিউড়ি পুরসভায় সাংবাদিক সম্মেলন করে বার্ধক্য ভাতায় দুর্নীতি নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘পুরসভা এলাকার প্রায় সাড়ে ১৭ থেকে ১৮ হাজার উপভোক্তার মধ্যে মাত্র সাড়ে পাঁচ হাজার উপভোক্তাকে আমরা ভাতা দিতে পেরেছি। এমনকী যুবক-যুবতীরাও এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছে। প্রায় দু’হাজার ভুয়ো অ্যাকাউন্টে ভাতার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।’










