প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যে সাধারণ জনগণের অভাব অভিযোগ শুনতে চালু হতে চলেছে ‘আপনার সরকারকে বলুন’ (Apnar Sarkar Ke Bolun) কর্মসূচি। মঙ্গলবার নদীয়ার প্রশাসনিক বৈঠক শেষে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জানা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চালু করা ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন’ কর্মসূচিকে পরিবর্তন করেই এই নাম রাখা হয়েছে। এছাড়াও প্রশাসনিক একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুরু হতে চলেছে ‘আপনার সরকারকে বলুন’ কর্মসূচি
রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠক ছিল। কল্যাণীর এপিজে আব্দুল কালাম প্রেক্ষাগৃহে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও হুগলি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক ছিল। আর সেই বৈঠক শেষে এক নয়া কর্মসূচি নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হতে চলেছে ‘আপনার সরকারকে বলুন’ কর্মসূচি। পূর্বতন সরকার জমানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালু করেছিলেন ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন’ কর্মসূচি। এবার সেই প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে অন্য নাম রাখা হয়েছে। এমনকি যোগাযোগের নম্বরও পরিবর্তন করা হয়েছে।
নম্বর পরিবর্তন করা হচ্ছে কর্মসূচিতে
তৃণমূল আমলে ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন’ কর্মসূচির সময়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাধারণ মানুষ তাঁদের অভাব-অভিযোগ, দাবি-দাওয়া জানাত। দেওয়া হয়েছিল ফোন নম্বর। কিন্তু অভিযোগ উঠেছিল, তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অফিসের ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছিল ওই প্রকল্পে। এমনকি সেইসব ফোন নম্বরে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু ফোনে পাওয়া যেত না বলে অভিযোগ। তাই এবার নতুন সরকার পুরাতন কর্মসূচি বন্ধ করে ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন’ কর্মসূচি চালু করল। পুরোনো নম্বর পরিবর্তন করে আনা হবে নতুন নম্বর। জানা গিয়েছে এই প্রকল্পের নাম ঠিক করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যকে।
আরও পড়ুন: দুয়ারে রেশন পরিষেবায় ভোগান্তি! তুলে দেওয়ার দাবিতে সরব রেশন ডিলাররা
প্রসঙ্গত, বৈদিক চিকিৎসা ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও জোর দেওয়া হয়েছে প্রশাসনিক বৈঠকে। তাই স্বাস্থ্য দফতর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে একটি স্বতন্ত্র ‘আয়ুষ দফতর’ বানানো হতে চলেছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “আয়ুষকে আলাদা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আয়ুষের মাথায় বসানো হবে একজন দক্ষ আধিকারিককেও। আজ নীতিগতভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা খুব শীঘ্রই ক্যাবিনেটের অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে।” একই সাথে স্বাস্থ্য দফতরকে আরও বেশি প্রাধান্য দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে যে আগামী জুন মাস থেকে একাধিক কর্মসূচি চালু হতে চক্র।










