‘বিদ্রোহী গান উড়িয়ে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন!’ বড়সড় অভিযোগ মাঞ্চু দাদার

Published:

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলায় বিধানসভা ভোটের ডঙ্কা বেজে গিয়েছে। এগিয়ে আসছে প্রথম দফার ভোটের দিনক্ষণ। ভোটকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলের নেতা, মন্ত্রী, প্রার্থীদের প্রচার তুঙ্গে। তবে এরই মাঝে সরকারের যেন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াল একটি র‍্যাপ ভিডিও। আর এই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে বাংলার ‘র‍্যাপার’ মাঞ্চু দাদা’-র (Manchu Dada Viral Song)। সে সোশ্যাল মিডিয়ায় যথেষ্ট জনপ্রিয়। কিন্তু রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বিতর্কিত ভিডিও করাই যেন কাল হল মাঞ্চুর। গানটা নাকি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। আর অভিযোগের কাঠগড়ায় রাজ্য প্রশাসন। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন।

মাঞ্চু দাদার ‘বিদ্রোহী’  গান ডিলিট করল সরকার!

কয়েকদিন আগে অবধি ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটিতে মাঞ্চু দাদা গত কয়েক বছরে রাজ্যের বিভিন্ন দুর্নীতি, অনিয়ম এবং বেকারত্বের সমস্যাগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি তথাকথিত “সিন্ডিকেট রাজ”-এর বিষয়টিও বিশেষভাবে উল্লেখ করেছিল। আর সেই ভিডিওটি শেয়ার করে আরও শোরগোল ফেলে দেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। যাইহোক, এখন এই গান আর নেই। উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, ডিজিটাল ভাষায় যাকে বলে ডিলিট করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন খোদ মাঞ্চু দাদা। এই নিয়ে তিনি একটি ভিডিও-ও করেছেন। মাঞ্চু জানায়, ‘আমার যে গানটা ভাইরাল হয়েছে আমার ফেসবুক পেজ থেকে তা উড়িয়ে দেওয়া হয়।’

সে আগে আরও জানিয়েছে, ‘আমি সাধারণ একটা বাংলা গান বানিয়েছিলাম। যেখানে কোনও দলকে টানা হয়নি, কাউকে টানা হয়নি। বাংলায় বানিয়েছি, ফলে বুঝতেই পারছো কারা উড়িয়েছে। সবাইকে বলব, এখনও অবধি যারা যারা ভিডিওটি দেখোনি, তাঁরা এখনই আমার ইউটিউবে যাও আর সেখান থেকে ডাউনলোড করে দেখো। সামান্য একটা গান বানালাম সেটাই নিতে পারল না। তোমরা বুঝতেই পারছো কী লেভেলের ভাইরাল হয়েছে। ভয় গিয়েছে ভিডিওটা উড়িয়ে দিয়েছে।’ অনেকে অনেক প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছেন।

কী বলছেন সাধারণ মানুষ?

একজন লিখেছেন, ‘দাদা এখনই কি অবস্থা যদি আরও জিতে তাহলে কি হবে ভাব ওই জন্য বলছি পাল্টানোর দরকার।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘ভয় পেয়েছে, সত্যি কথা বললে ভয় তো পাবে। মিথ্যা কথা বলো দেখো পুরস্কার দেবে।’ অপর একজন লিখেছেন, ‘সত্যি কথা বলে ভয় পাই সেজন্য ডিলিট করে দিয়েছে। আরও অনেক গান বানাতে হবে শুধু সত্যি কথা। এটা সত্য সেটা তো সত্যই মন থেকে কি করে মুছে যাবে।’

google button