অনন্যা সরকার, কলকাতাঃ বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করার পর থেকেই তাদের সংকল্পপত্রে ঘোষণা করা বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নের জন্য দ্রুততার সাথে কাজ শুরু করে দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিশ্রুতি মতো আজ থেকেই মহিলাদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি ঢুকতে শুরু করেছে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Bhandar) টাকা। আজ প্রায় ২৮ লক্ষ ২৫ হাজারের বেশি মহিলা ৩,০০০ টাকা করে পেয়েছেন। মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল নিশ্চিত করেছেন যে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই যোজনার ফর্ম ফিলাপের কাজ চলছে। এরপর যারা ফর্ম ফিলআপ করবেন তারা ৫ -৭ দিনের মধ্যেই টাকা পেয়ে যাবেন।
এখনই বন্ধ নয় লক্ষীর ভান্ডার?
ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, অন্নপূর্ণা যোজনার নথিভুক্তকরণের কাজ যতদিন চলছে ততদিন আগের সরকারের লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্প চালু থাকবে। কাজ সঠিক ভাবে সম্পন্ন হলেই বন্ধ হয়ে যাবে লক্ষীর ভান্ডার। পাশাপাশি বিগত সরকারের চালু করা স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পকে কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া খুব দ্রুত শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তার প্রথম মন্ত্রীসভার বৈঠকেই স্পষ্ট করে দেন যে, গত ১০ বছর ও ৩০ বছরে চালু হওয়া কোনো জনকল্যাণমূলক প্রকল্পই বন্ধ করা হবে না। যতদিন না আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প এরাজ্যে চালু হচ্ছে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা পাবেন রাজ্যবাসী।
প্রকল্পে স্বচ্ছতা আনা ও সঠিক প্রাপকদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকার একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মও তার মধ্যে অন্যতম। সরকারের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে যে শুধুমাত্র যোগ্য ব্যক্তিরাই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। যারা প্রকল্প থেকে বাদ পড়বেন তারা কেন বাদ পড়ছেন তা জানিয়ে দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে আগেই জানানো হয়েছে যে, কোনো বহিরাগত বা অভারতীয় ব্যক্তি এই প্রকল্পের আওতায় পড়বেন না পাশাপাশি মৃত ও ভুয়ো উপভোক্তাদেরও নাম কাটা পড়বে। সম্পূর্ণ ব্যবস্থাটিকে স্বচ্ছ করার প্রক্রিয়া চলছে।
আরও পড়ুনঃ আচমকাই রেশনে বন্ধ হল ডাল, চিনি, নুন বিতরণ! ফের কবে মিলবে? জানাল সরকার
এছাড়াও, নতুন সরকার ‘পেপার লেস অফিস’ বা কাগজহীন প্রশাসন গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। তাই প্রতিটি মা-বোনের অ্যাকাউন্টে সরাসরি ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার বা ডিবিটি (DBT)-এর মাধ্যমে টাকা পাঠানো হচ্ছে।










