হোস্টেল থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রীর দেহ উদ্ধার, দুর্গাপুরের ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু কোচবিহারে

Published:

cooch behar

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ভয়ানক ঘটনা ঘটে গেল কোচবিহারে। কোচবিহার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের (Cooch Behar Engineering College) এক কৃতি ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। হোস্টেলের ঘর থেকে ওই ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর। স্বাভাবিকভাবেই এহেন ঘটনাকে ঘিরে সর্বত্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। আত্মহত্যা নাকি খুন, সেই বিষয়ে খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে কোচবিহার কতোয়ালি থানার পুলিশ আধিকারিকরা।

হোস্টেল থেকে উদ্ধার ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রীর দেহ

স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতার নাম অন্বেষা ঘোষ। সে কোচবিহার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিল। জানা গিয়েছে যে, দুর্গাপুরের বাসিন্দা অন্বেষা। তদন্তে উঠে এসেছে, বৃহস্পতিবার রাতে হোস্টেলে নিজের ঘরেই ছিলেন অন্বেষা। এরপর দীর্ঘক্ষণ কোনও সাড়া না পাওয়ায় অন্যান্য আবাসিকদের মনে খটকা লাগে। এরপর তাঁকে ডাকতে গিয়ে সকলে দেখেন ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে অন্বেষা। রাত দেড়টা থেকে ২টো নাগাদ অন্বেষার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অন্বেষাকে প্রথম উদ্ধার করে স্থানীয় নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর আবার সেখান থেকে ছাত্রীকে এমজেএম মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে রেফার করা হয়। লক্ষ্য ছিল যদি বাঁচানো যায় মেয়েটিকে। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

তদন্ত শুরু পুলিশের

ঘটনার বিষয়ে ওই হস্টেলের ওয়ার্ডেন সবিতা মোদক জানান, বৃহস্পতিবার রাতে অন্য এক বন্ধুর ঘরে থাকার কথা ছিল অন্বেষার। কিন্তু রাত দেড়টা বেজে যাওয়ার পরেও তিনি না যাওয়ায় সন্দেহ হয় ওই বন্ধুর। বার বার ফোন করলেও ফোন তোলেননি অন্বেষা। তখন তাঁর ঘরে ডাকতে গিয়ে দেখা যায়, দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। তখন খবর দেওয়া হয় সবিতাকে। তিনি গিয়ে ডাকাডাকি করে কোনও লাভ হয়নি। দরজা ভেঙে ঘরের মধ্যে ঢুকে অন্বেষাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

আরও পড়ুনঃ বেলিয়াতোড় থেকে দুর্গাপুরে ছুটবে ট্রেন, মিলল নতুন রেলপথের অনুমোদন

যাইহোক অন্বেষার এহেন আচমকা মৃত্যুতে তাঁর পরিবার থেকে শুরু করে সহপাঠীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। সেই রিপোর্ট হাতে পেলেই স্পষ্ট হবে তাঁর মৃত্যুর কারণ বলে জানিয়েছেন কোচবিহারের এসসিপি কৃষ্ণ গোপাল মীনা।

google button