দেখবেন ডলফিন, পরিযায়ী পাখি! ঘুরে আসুন বাংলার কাছে এক টুকরো ‘গোয়া’ নির্জন দ্বীপ থেকে

Published:

Rajhans Island

সহেলি মিত্র, কলকাতা: গরম থেকে বাঁচতে আপনিও কি একটু সুন্দর ঘুরতে যেতে ইচ্ছুক? কিন্তু কোথায় যাবেন বুঝতে পারছেন না, তবে আজকের এই প্রতিবেদনটি রইল আপনার জন্য। আজ আপনাদের এমন একটি আইল্যান্ড সম্পর্কে খোঁজ দেব যেখানে গেলে আপনি ভাববেন আগে কেন এখানে আসেননি। আজ আপনাদের বলব ওড়িশার (Odisha) রাজহংস দ্বীপ (Rajhans island) সম্পর্কে, সুন্দর এবং নিরিবিলি এই সমুদ্র সৈকতে এলে আপনার মন প্রাণ জুড়িয়ে যাবে। সবথেকে বড় কথা, আপনি এখানে এসে ট্রেক করতে পারবেন, যাকে কিনা বলে কোস্টাল ট্রেক।

ঘুরে আসুন একদম অফবিট রাজহংস দ্বীপ থেকে

চিল্কা উপহ্রদ ও বঙ্গোপসাগরের সংযোগ স্থলে অবস্থিত রাজহংস দ্বীপ থেকে যমুনা গ্রামের দিকে। দূরত্ব কম-বেশী ১৭ কিমি। এই দ্বীপে আপনি অনেক ঝাউবন, ডলফিন, পরিযায়ী পাখি, জেলেদের বস্তি দেখতে পাবেন। সেইসঙ্গে এখানে আপনি সারি সারি কাজু বাদামের গাছও দেখতে পাবেন। এই রাজহংস দ্বীপ ওড়িশা তথা সমগ্র ভারতের এক হিডেন জেম। পুরী এবং ভুবনেশ্বরের মতো প্রধান পর্যটন কেন্দ্রগুলি ভারত এবং সারা বিশ্বের পর্যটকদের ভিড়ে ভরে উঠতে খুব বেশি সময় লাগে না। কিন্তু আপনিও যদি ওড়িশা ভ্রমণে গিয়ে একটু নিরিবিলি জায়গা পছন্দ করে থাকেন তাহলে এই রাজহংস দ্বীপ আপনার জন্য একদম পারফেক্ট ডেস্টিনেশন হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ কলকাতার অদূরেই রয়েছে ‘ঝুলন্ত সেতুর উপত্যকা’, গরমের ছুটিতে ঘুরে আসুন রোলেপ

এখানে ট্রেকিং করে আপনি আলাদাই একদম রোমাঞ্চকর অনুভূতি পাবেন। দ্বীপটি চিলিকা হ্রদ ও বঙ্গোপসাগরের সঙ্গমস্থলে অবস্থিত। এই নির্জন সমুদ্র সৈকতে থাকাও এক আলাদাই লেভেলের অনুভূতি দেবে। এক রাত কাটানোর জন্য সবচেয়ে ভালো বিকল্প হবে বিভিন্ন নেচার ক্যাম্প, যেখানে তাঁবুতে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। শরৎকাল তো বটেই, কিন্তু শীতকালে এই দ্বীপে এলে আপনি নানা পরিযায়ী পাখির সমাহার দেখতে পাবেন। পরিষ্কার বালুকাময় তীরের সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তোলে সারি সারি দুলতে থাকা ঝাউগাছ।

কীভাবে পৌঁছাবেন?

রাজহংস দ্বীপে পৌঁছানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হল সাতাপাড়া (১৮ কিমি) থেকে নৌকায় যাওয়া। সাতাপাড়া থেকে দুই ঘণ্টার নৌকাযাত্রা আপনাকে রাজহংস দ্বীপের বালুকাময় ও শান্ত তীরে পৌঁছে দেবে।