বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ওড়িশার ভিজিলেন্স বিভাগ রাজ্যের খনি বিভাগের সরকারি আধিকারিকের বাসভবন থেকে নগদ 4 কোটি টাকা উদ্ধার করেছে (Odisha Vigilance Raid)। শুধু তাই নয়, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লাইসেন্স প্রাপ্ত কয়লা বিক্রেতার কাছ থেকে নগদ 30,000 টাকা ঘুষ নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। যেই ঘটনায় এবার ওই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ওড়িশার ইতিহাসে প্রথম এত নগদ উদ্ধার
ANI এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবার সকালে ওড়িশা ভিজিলেন্স কটক সার্কেলে খনি বিভাগের উপ-পরিচালক দেবব্রত মোহন্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ পেতেই তাঁর বাসভবনে তল্লাশি চালায়। আর তারপরেই ওই আধিকারিকের ফ্ল্যাট সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে 4 কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেছেন ভিজিলেন্স অফিসাররা। অভিযোগ, কয়লা ডিপোর অপারেশন এবং পরিবহনের অনুমতি দেওয়ার জন্য ঘুষ হিসেবে 30,000 টাকা নিয়েছিলেন দেবব্রত বাবু। সেই অভিযোগ পেতেই, ভদ্রক এবং কটকের অফিস ও অভিযুক্তর পৈত্রিক বাড়িতেও অভিযান চালায় ভিজিলেন্স অফিসাররা।
30,000 BRIBE. ₹4+ CRORE RECOVERED. BED OF CORRUPTION.
If a mid-level officer can allegedly amass wealth so wildly disproportionate to his income what must be the uptake higher up the chain?In Odisha’s biggest-ever Vigilance cash seizure, Deputy Director of Mines Debabrata… pic.twitter.com/5GKqPJnjGK
— Rahul Shivshankar (@RShivshankar) February 25, 2026
অভিযুক্তর বাসভবন, অফিস, ফ্ল্যাট সহ অন্যান্য সন্দেহজনক জায়গা গুলিতে তল্লাশি চালিয়ে নগদ 4 কোটি টাকা উদ্ধার করার পাশাপাশি 130 গ্রাম সোনাও পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, শ্রী বিহারের নেচার ক্রেস্ট অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাট, বাড়ি সহ অন্যান্য সমস্ত জায়গায় একযোগে অভিযান চালানোর পরেই এমন সাফল্য এসেছে বলেই জানালেন ভিজিলেন্স অফিসারদের একাংশ। তাঁদের দাবি, টাকাগুলি কয়েকটি ট্রলি ব্যাগ এবং তাকের মধ্যে লুকানো ছিল। তাঁদের দাবি, ওড়িশা ভিসিলেন্সের ইতিহাসে এই প্রথমবার এত নগদ অর্থ উদ্ধার করলেন তাঁরা। সূত্রের খবর, তদন্তকারীরা ট্রলি ব্যাগ এবং অন্যান্য তাকগুলি থেকে 4 কোটি টাকা উদ্ধার করার পাশাপাশি অভিযুক্ত দেবব্রত মোহন্তির অফিসের ড্রয়ার থেকে নগদ 1 লাখ 20 হাজার টাকা উদ্ধার করেন।
অবশ্যই পড়ুন: ব্যাঙ্কে KYC নিয়ে সতর্কবাণী RBI-র, বিপদে পড়ার আগে জানুন
একাধিক ধারায় রুজু হয়েছে মামলা
বিপুল পরিমাণ অর্থ এবং 130 গ্রাম সোনার আইনত রশিদ বা উৎস দেখাতে না পারায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন 2018 এর ধারা 7 সহ অন্যান্য একাধিক ধারায় রুজু হয়েছে মামলা। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তি আর কোথায় কোথায় টাকা লুকিয়ে রেখেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে আর কোনও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কিনা সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।












