পাকিস্তানে হিন্দু নাবালিকাকে জোর করে ধর্ষণ, বিয়ে! পুজা নাম বদলে রাখা হল ‘দুয়া’

Published:

Voice of Pakistan minority on Rape Case

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে এক নাবালিকা হিন্দু মেয়েকে ধর্ষণ, ধর্মান্তর এবং বিয়ের অভিযোগ উঠেছিল (Rape Case In Pakistan)। গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার এক শীর্ষস্থানীয় সংখ্যালঘু অধিকার সংস্থা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। একই সাথে সংস্থাটি পাকিস্তানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি ওই সংখ্যালঘু অধিকার সংস্থাটি জানতে চেয়েছে, পাকিস্তানের মতো ইসলামের দেশে একজন হিন্দু মেয়ে হিসেবে জন্ম নেওয়া কি অন্যায়?

নাবালিকার উপর হওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে ভয়েস অফ পাকিস্তান মাইনরিটি

পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় সংখ্যালঘু অধিকার সংস্থা ভয়েস অফ পাকিস্তান মাইনরিটি দাবি করেছে, রামসুন ঠাকুরের মেয়ে, দশম শ্রেণীর ছাত্রী পুজাকে অপহরণ করে ধর্ষণ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, জোর করে তাঁকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয়। এই ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক। সংস্থাটির তরফে এও জানানো হয়, পাকিস্তানে জন্ম গ্রহণকারী 12 বছর বয়সী হিন্দু মেয়েটিকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করে তাঁর নাম দেওয়া হয় দোয়া ফাতিমা। পরবর্তীতে আল্লাহ ওয়ারিওর নামক এক ব্যক্তির ছেলে ইমরান আলির সাথে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে।

নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এমন ঘটনার কথা জানিয়ে গোটা বিষয়টিকে নিষ্ঠুর প্রথা বলে অভিহিত করেছে পাকিস্তানের সংখ্যালঘু অধিকার সংস্থাটি। ওই সংস্থার বক্তব্য, 12 বছর বয়সী নাবালিকার সাথে ঘটা এমন নারকীয় ঘটনার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে যেতেই পাকিস্তানের জন্মগ্রহণকারী অন্যান্য হিন্দু ধর্মাবলম্বী মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ অনেকটাই বেড়েছে।

 

অবশ্যই পড়ুন: ২০০৮-র পর জন্ম হলে কেনা যাবে না তামাকজাত দ্রব্য! নয়া আইন দেশে

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের হিন্দু মেয়েদের উপর অত্যাচার এবং ধর্ষণের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগেও বহুবার ইসলামের দেশটিতে হিন্দু ধর্মের মেয়েদের উপর বর্বর অত্যাচারের ঘটনার সামনে এসেছে। যদিও বিভিন্ন সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষাকারী সংগঠনগুলির দাবি, পাকিস্তানি এমন ঘটনা প্রতিদিন ঘটছে। বিগত বছরগুলিতে পাকিস্তানে ধর্ষিতা হয়ে মৃত্যুর পথ বেছে নিয়েছেন বহু হিন্দু মহিলা। সবটা প্রকাশ্যে আসে না।