সহেলি মিত্র, কলকাতা: রেল যাত্রীদের সুবিধা ও সুরক্ষার কথা ভেবে ভারতীয় রেল (Indian Railways) একের পর এক কাজ করেই চলেছে। এবারও যার ব্যতিক্রম ঘটল না। যাত্রীদের নিরাপত্তা ও আরাম নিশ্চিত করতে ভারতীয় রেল একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানা গিয়েছে, এবার রেললাইনে প্রচলিত লোহা ও কংক্রিটের স্লিপারের পরিবর্তে আধুনিক কম্পোজিট স্লিপার ব্যবহার করা হবে। শুধু তাই নয়, ট্র্যাক পর্যবেক্ষণের জন্য AI প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হবে, যা রেল ভ্রমণকে আরও নিরাপদ ও মসৃণ করে তুলবে।
বড় পদক্ষেপ রেলের
সম্প্রতি রেল মন্ত্রকের তরফে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, এখন থেকে সেতুর অ্যাপ্রোচ, পয়েন্ট এবং ক্রসিংয়ের মতো সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে কম্পোজিট স্লিপার ব্যবহার করা হবে। এই স্লিপারগুলি প্রচলিত কংক্রিট ও লোহার স্লিপারের চেয়ে হালকা, কিন্তু আরও বেশি ভার বহনে সক্ষম হবে। কম্পোজিট স্লিপারের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এগুলি প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে ৭০০ কিলোগ্রাম পর্যন্ত ওজন বহন করতে পারে। এছাড়াও, এগুলিতে উন্নততর কুশনিং ব্যবস্থা রয়েছে, যার ফলে ট্রেন চলার সময় ঝাঁকুনি কমে যাবে এবং যাত্রীদের অভিজ্ঞতা আরও ভালো হবে।
উপকৃত হবেন সাধারণ যাত্রীরা
রেল পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই স্লিপারগুলো স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ করাও আরও সহজ হবে। এগুলোকে প্রয়োজন অনুযায়ী নকশা করা যাবে, ফলে বিভিন্ন জায়গায় এগুলোর ব্যবহার আরও সুবিধাজনক হবে। এতে রেল রক্ষণাবেক্ষণের খরচও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে, এখন থেকে রেললাইন পর্যবেক্ষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা হবে। পরিদর্শন করে এমন ট্রেনগুলিতে একটি বিশেষ এআই ডিভাইস লাগানো থাকবে, যা গ্রাউন্ড পেনিট্রেশন রাডার ব্যবহার করে ট্র্যাকের নিচের অবস্থা স্ক্যান করবে। এর ফলে ট্র্যাকের সামান্যতম ত্রুটিও আগে থেকে শনাক্ত করা যাবে এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
Safer tracks, smarter tech 🚆
Indian Railways introduces modern composite sleepers for enhanced safety & comfort, along with AI-based monitoring for advanced track surveillance, reaffirming its commitment to a safer, smoother journey.
Read more: https://t.co/f5dsrYrCiB pic.twitter.com/I6mXLhynJN
— Ministry of Railways (@RailMinIndia) April 10, 2026
রেল কর্তৃপক্ষ ট্র্যাক ওয়েল্ডিংয়ের মানোন্নয়নের জন্য ম্যাগনেটিক পার্টিকেল টেস্টিং প্রযুক্তি গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই প্রযুক্তি ওয়েল্ডিংয়ের ক্ষুদ্রতম ত্রুটিও শনাক্ত করতে অত্যন্ত কার্যকর, যা ট্র্যাকের শক্তি আরও বৃদ্ধি করবে।
আরও পড়ুনঃ এখনও মেলেনি টাকা! বাজেটে ঘোষিত ৪% DA না পেয়ে রেগে কাঁই শিক্ষকরা
১) ভ্রমণ আরও নিরাপদ ও আরামদায়ক হবে
২) ট্রেনের ঝাঁকুনি কম অনুভূত হবে।
৩) ট্র্যাক বিকল হওয়া ও দুর্ঘটনার সম্ভাবনা হ্রাস পাবে।
৪) রেল পরিষেবা আরও নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠবে












