পেট্রোলে ১.৫, ডিজেলে ১৩.৫০ টাকা শুল্ক প্রত্যাহারের ঘোষণা কেন্দ্রের

Published:

excise duty

সহেলি মিত্র, কলকাতা: নতুন মাস শুরু হওয়ার আগেই পেট্রোল-ডিজেল (Petrol Diesel) নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের তরফে একটু বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, আগামী ১ জুন থেকে পেট্রোল, ডিজেল এবং এটিএফ (ATF) রপ্তানির উপর শুল্ক (Excise Duty) হ্রাস করা হবে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। আপনিও যদি পেট্রোল বা ডিজেল ব্যবহার করে থাকেন তাহলে বিশদে সবটা জেনে নেবেন।

পেট্রোল-ডিজেল নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

গতকাল শনিবার ৩০ মে, সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা হয় এক বিবৃতি। সেটায় জানানো হয়েছে যে, আগামী ১ জুন থেকে পেট্রোল, ডিজেল এবং এটিএফ রপ্তানির উপর শুল্ক হ্রাস করা হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন সাধারণ মানুষ। জানা গিয়েছে, পেট্রোলের ওপর রপ্তানি শুল্ক লিটার প্রতি ১.৫ টাকা কমানো হয়েছে এবং ডিজেলের ওপর এই হার কমিয়ে লিটার প্রতি ১৩.৫ টাকা করা হয়েছে। এছাড়াও, এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের ওপর রপ্তানি শুল্ক কমিয়ে লিটার প্রতি ৯.৫ টাকা করা হয়েছে।

এক নজরে নতুন দাম

সরকার আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের দাম পর্যালোচনা করে প্রতি ১৫ দিন অন্তর এই করের হার সংশোধন করে। পেট্রোলের ওপর রপ্তানি শুল্ক আগের ৩ টাকা থেকে কমিয়ে লিটার প্রতি ১.৫ টাকা করা হয়েছে। ডিজেলের ওপর রপ্তানি শুল্ক আগের ১৬.৫০ টাকা থেকে কমিয়ে লিটার প্রতি ১৩.৫ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে বিমানে ব্যবহৃত এটিএফ-এর ওপর রপ্তানি শুল্কও প্রতি লিটারে ৯.৫০ টাকায় কমিয়ে আনা হয়েছে, যা আগে ছিল ১৬ টাকা।

আরও পড়ুনঃ এক নম্বরেই সব এমারজেন্সি পরিষেবা, ডেডলাইন বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট

বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থ মন্ত্রকের জারি করা এই সিদ্ধান্তটি সেইসব কোম্পানিকে সরাসরি প্রভাবিত করবে যারা ভারত থেকে পরিশোধিত তেল বিদেশে বিক্রি করে। সরকার স্পষ্ট করেছে যে দেশের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত জ্বালানির উপর আবগারি শুল্কে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। এর মানে হলো, পেট্রোল পাম্পে বিক্রি হওয়া তেলের দাম কমবে না, বরং, এই সিদ্ধান্তটি শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে মাথায় রেখেই নেওয়া হয়েছে।

বিশেষ কর কেন আরোপ করা হয়েছিল?

এখন প্রশ্ন উঠছে, সরকার কেনই বা আগে এই কর আরোপ করেছিল? এই সিদ্ধান্তের সূত্রপাত কয়েক মাস আগের ঘটনারে জেরে হয়েছিল। ২৬ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সরকার পেট্রোল, ডিজেল এবং বিমান জ্বালানির রপ্তানির উপর এই বিশেষ শুল্ক আরোপ করে। সে সময় পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়ছিল এবং ভূ-রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হচ্ছিল। অভ্যন্তরীণ বাজারে পেট্রোলিয়াম পণ্যের ঘাটতি নিশ্চিত করতে সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছিল