মেনে চলতে হবে কঠিন নিয়ম, মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নেওয়ার পর কী দায়িত্ব শুভেন্দুর?

Published:

Suvendu Adhikari

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বাংলার নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী তিনি। মমতা ব্যানার্জির পর নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন। এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে অমিত শাহ, রাজনাথ সিং, এমনকি বহু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেই সূত্রে আজ দু’বার শপথ বাক্য পাঠ করলেন তিনি। প্রথমটি পদের শপথ, আর দ্বিতীয়টি হল গোপনীয়তা শপথ।

কী শপথগ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী?

উল্লেখ্য, আজ গেরুয়া পাঞ্জাবি পড়েই ব্রিগেড ময়দানে হাজির হয়েছিলেন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হুডখোলা গাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর সাথে মঞ্চে প্রবেশ করতে দেখা যায় তাঁকে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান। শপথ বাক্য ছিল “আমি শুভেন্দু অধিকারী। ঈশ্বরের নামে শপথ করিতেছি যে, বিধি দ্বারা স্থাপিত ভারতের সংবিধানের প্রতি আমি সবসময় অকৃত্রিম নিষ্ঠা এবং আনুগত্য পোষণ করি। আমি ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং অখন্ডতা রক্ষা করিব। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী রূপে আমার কর্তব্য সমূহ নিষ্ঠাপূর্বক আর বিবেক সম্মতভাবে নির্বাহ করিব। ভয়, পক্ষপাত, বিদ্বেষ হইতে সবসময়ই সকল শ্রেণীর জনগণের প্রতি সংবিধান এবং অনুসরণ করিয়া ন্যায় স্মরণ করিব।”

এটা হল পদের শপথ। এরপর তিনি পাঠ করেছেন গোপনীয়তার শপথ। সেখানে তিনি বলেন, “আমি শুভেন্দু অধিকারী। ঈশ্বরের নামে শপথ করিতেছি যে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হইয়া যে বিষয় আমার বিবেচনার মধ্যে আনীত হইবে বা আমি জ্ঞাত হইব, তা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যথাযথ নির্ভয়ের জন্য যে রূপ আবশ্যক হইতে পারে তদৈব প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনও ব্যক্তি কিংবা ব্যক্তিগণের নিকট জ্ঞাপন করিব না বা প্রকাশ করিব না।”

আরও পড়ুন: প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা লোন দিচ্ছে SBI, আপনি পাবেন?

না বললেই নয়, ভারতীয় সংবিধানের ১৬৪(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ বাক্য পাঠ করানো বাধ্যতামূলক। আর প্রত্যেকটি রাজ্যের রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান। এদিন শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি রাজ্যের মন্ত্রিত্বের পদে শপথ বাক্য পাঠ করেছেন দিলীপ ঘোষ থেকে শুরু করে অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনীয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু। যদিও এখনও পর্যন্ত তাঁদের কোন পদে বসানো হল তা স্পষ্ট নয়।