আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: দক্ষিণ ২৪ পরগনায় (South 24 Parganas) তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত সদস্যকে শাড়ি খুলিয়ে বিবস্ত্র করে গোটা পঞ্চায়েত অফিস চত্বরে ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, পঞ্চায়েত অফিসের মধ্যেই ওই সদস্যকে হেনস্থার মুখে পড়তে হয়। এই ঘটনার সিসিটিভি ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর।
বিবস্ত্র করে হেনস্তা
ফুটেজে দেখা গিয়েছে, তৃণমূলের ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে প্রথমে হেনস্থা করা হয়। এরপর তাঁর পরনের শাড়ি খুলিয়ে তাঁকে বিবস্ত্র অবস্থায় পঞ্চায়েত অফিসের চারিদিকে ঘোরানো হয়। এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে পঞ্চায়েত অফিসের মতো সরকারি প্রতিষ্ঠানে একজন জনপ্রতিনিধির নিরাপত্তা ও মর্যাদা কোথায়? ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে তীব্র উত্তেজনা।
তবে ঠিক কী কারণে ওই পঞ্চায়েত সদস্যকে এভাবে হেনস্থা হতে হলো, কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং ঘটনার পিছনে কোনও রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার সম্পূর্ণ কারণ জানতে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে এই ঘটনায় প্রশাসনের তরফে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সেদিকেও নজর রয়েছে।
আরও পড়ুন: মমতা সমর্থন করতেই গ্রেফতার নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান, কী কারণে?
দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলায় পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরে এমন গুরুতর অভিযোগ সামনে আসায় স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। একজন নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যের সঙ্গে এমন আচরণের অভিযোগ ঘিরে স্থানীয় স্তরে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ ও বিতর্ক। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, এখন সেটাই দেখার।










