বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভাল সময় যাচ্ছে দাদা মুকেশ আম্বানির (Mukesh Ambani)। শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হতেই ফুলেফেঁপে উঠেছে জিও প্ল্যাটফর্মস। আর ঠিক সেই আবহে আবারও বড় ধাক্কা খেলেন ভাই অনিল আম্বানি (Anil Ambani)। এবার ব্যাঙ্ক জালিয়াতি এবং আর্থিক তছরুপের অভিযোগে অনিলের গোষ্ঠীর প্রায় 510 কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এ নিয়ে মঙ্গলবার ইডির তরফে জানানো হয়েছে, প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-র অধীনেই অনিল আম্বানির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ফের বড়সড় ধাক্কা খেলেন অনিল আম্বানি
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, তাদের এই পদক্ষেপের আওতায় বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে অনিল আম্বানির গোষ্ঠীর দুটি চার্টার্ড বিমান, মহারাষ্ট্রের ছয়টি জমি এবং একটি অফিস। দুটি বিমানের মধ্যে রয়েছে Dassault Falcon 2000 এবং Embraer। এছাড়াও রিলায়েন্স কমিউনিকেশনসের বিরুদ্ধে 247 কোটি টাকারও বেশি মূল্যের ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থাটি জানিয়েছে, অনিল আম্বানির গোষ্ঠীর যেসব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে সেই তালিকায় রয়েছে তামিলনাড়ুর দুটি উইন্ডমিল, ব্যাঙ্কে জমা অর্থ, ফিক্সড ডিপোজিট, বিনিয়োগ এবং অন্যান্য আর্থিক সম্পদও। বলে রাখা প্রয়োজন, দুটি পৃথক ব্যাঙ্ক জালিয়াতির মামলায় এই পদক্ষেপ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর মধ্যে রিলায়েন্স হোম ফিনান্স লিমিটেড এবং রিলায়েন্স কমার্শিয়াল ফিনান্স লিমিটেডের সঙ্গে যুক্ত মামলায় 263.05 কোটি টাকার আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগও রয়েছে। সেই সূত্রেই সবমিলিয়ে মুকেশ আম্বানির ভাইয়ের প্রায় 510 কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করছে ED।
আরও পড়ুন: BSF-র উপর হামলা, ৫০০০ টাকা দেওয়ার ঘোষণা…! আজকের সেরা ১০ খবর (৩ নভেম্বর)
প্রসঙ্গত, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অভিযোগ, ব্যাঙ্ক থেকে তোলা সাধারণ মানুষের অর্থের অপব্যবহার, ইনসলভেন্সি অ্যান্ড ব্যাঙ্করাপ্সি কোডের অপব্যবহার, বিদেশে কর না দিয়ে অর্থ সরানোর মতো অপরাধের সাথে যুক্ত ছিল অনিল আম্বানির গোষ্ঠীর একাধিক সংস্থা। এছাড়াও তদন্তকারী সংস্থাটি দাবি করেছে, যে বিপুল পরিমাণ জালিয়াতি হয়েছে সেই অর্থের একটা অংশ কোনও বড় সংস্থার প্রোমোটার এবং তাঁদের পরিবারের ব্যক্তিগত স্বার্থ ব্যবহার হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, এই মামলায় এখনও পর্যন্ত মোট 10 জনকে গ্রেফতার করেছে ইডি।










