প্রথম দুয়ে আদানি-আম্বানি, দেশের সবচেয়ে ধনী ১০ ব্যক্তির তালিকায় বাকিরা কারা?

Published:

See the list of India's richest persons

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিপুল সম্পদের নিরিখে মুকেশ আম্বানিকে (Mukesh Ambani) টপকে গিয়েছেন আদানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা গৌতম আদানি (Gautam Adani)। ব্লুমবার্গের বিলিওনেয়ার সূচকে এই মুহূর্তে দেশ তথা এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানি। বর্তমানে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে 9260 কোটি ডলারে। অন্যদিকে দীর্ঘ সময় ধরে এশিয়া মহাদেশের ধনী ব্যক্তি হিসেবে নিজের জায়গা ধরে রাখা মুকেশ আম্বানি এবছর ভারত তথা এশিয়ার দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি। তাঁর সম্পদের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে 9080 কোটি ডলারে। এখন প্রশ্ন, এই দুই ব্যক্তি দেশের সবচেয়ে ধনী হলে প্রথম 10 এর তালিকায় বাকিরা কারা?

দেশের সবচেয়ে ধনী 10 ব্যক্তিদের তালিকায় বাকিরা কারা?

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের যে তালিকা ব্লুমবার্গ প্রকাশ করেছে তাতে এশিয়া মহাদেশ তথা ভারতের প্রথম দুই ধনী ব্যক্তি গৌতম আদানি এবং মুকেশ আম্বানি হলেও ভারতের বাকি 8 আসনে নাম রয়েছে একাধিক পরিচিত শিল্পপতির। বলাই বাহুল্য, ভারতের সবচেয়ে ধনী দুই ব্যক্তি আদানি ও আম্বানির পর দেশের সবচেয়ে ধনী বা বিত্তশালীদের তালিকায় যথাক্রমে নাম রয়েছে, লক্ষী মিত্তল, শিব নাদার, শাপুর মিস্ত্রি ও ফ্যামিলি, সাবিত্রী জিন্দল, সুনীল মিত্তল ও ফ্যামিলি, আজিম প্রেমজি, কুমার মঙ্গলম বিড়লা এবং রাধাকিষান দামানির।

না বললেই নয়, ব্লুমবার্গের বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় লক্ষ্মী মিত্তলের জায়গা হয়েছে 62 নম্বরে। তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ 3690 কোটি ডলার। একইভাবে HCL এর চেয়ারম্যান শিব নাদার জায়গা পেয়ে 70 তম স্থানে। তাঁর মোট সম্পদ রয়েছে 3350 কোটি ডলারের। এখানেই শেষ নয়, বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় 71 তম স্থানে শাপুর মিস্ত্রি এবং ফ্যামিলি 3320 কোটি ডলার নিয়ে জায়গা পেয়েছে। এছাড়াও 73 তম স্থানে 3270 কোটি ডলারের মালিক ওপি জিন্দাল গোষ্ঠীর চেয়ারপারসন সাবিত্রী জিন্দাল রয়েছেন। তারপরই একে একে নাম রয়েছে বাকিদের।

অবশ্যই পড়ুন: ডিলিমিটেশন বিল পাসে ব্যর্থ কেন্দ্র, তাহলে কি POK ফেরাতে পারবে না ভারত?

উল্লেখ্য, ব্যবসায়ীদের বড় ব্যর্থতা এবং লোকসান বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তাঁদের উত্থান পতনের কারণ। এবছর তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ মুকেশ আম্বানি। বলতেই হয়, এ বছর রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের ক্রমাগত উত্থান পতনের কারণে 1690 কোটি টাকা হারিয়েছেন আম্বানি। যার প্রভাব সরাসরি পড়েছে ব্লুমবার্গের বিলিওনেয়ার সূচকে। তাই তো এশিয়ার সবচেয়ে ধনীতম ব্যক্তি থেকে আজ দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি তিনি।