প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: জল্পনার অবসান, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে মনোনীত হলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ৫৮ জন বিধায়ক তাঁকে সমর্থন করেছেন। অন্যদিকে মুখ্য সচেতক হিসেবে মনোনীত হলেন রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামান। পাশাপশি বিধায়কদের সমর্থনে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা, কসবার বিধায়ক জাভেদ খানের নাম উপ-নেতা হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছে।
নতুন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত
রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ, বুধবার বিধানসভায় ৫৮ জন তৃণমূল বিধায়কের সমর্থনের চিঠি নিয়ে বিধানসভায় হাজির হয়েছিলেন দলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি সশরীরে উপস্থিত ছিলেন বাকি বিধায়কেরাও। স্পিকারের কাছে দেওয়া চিঠিতে তাঁদেরই সই রয়েছে। পরে আরও ৬ জন বিধায়ক সই করবেন বলে স্পিকারকে জানানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, অরূপ রায়, শিউলি সাহা এবং আখরুজ্জামান, বিধায়ক সন্দীপন সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন-সহ দলের অনেক বিধায়ক। আর সেখানেই ঠিক হয়েছে, ঋতব্রত রাজ্য বিধানসভার নতুন বিরোধী দলনেতা হবেন। এর আগে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল।
মমতার প্রতি এখনও আস্থা দলের
জানা গিয়েছে, রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী আখরুজ্জামানের নাম প্রস্তাব করা হয় মুখ্য সচেতক হিসেবে। পাশাপাশি তিনজন ডেপুটির নাম উঠে এসেছে, জাভেদ খান, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন শাহা। জাভেদ কসবার বিধায়ক, শিউলি কেশপুরের এবং সন্দীপন এন্টালির বিধায়ক। এদিকে ফিরহাদকেও চিফ হুইপ হিসেবেও মানতে নারাজ সকলে, তবে মমতার প্রতি এখনও পর্যন্ত কেউ আস্থা হারাননি। জল্পনা বাড়ছে তাহলে কি অভিষেককে নিয়েই তৈরি হয়েছে বিরূপ মানসিকতা? আর সেই কারণেই এই বিতর্ক। তবে এখনও সেই নিয়ে স্পষ্ট কোনো মন্তব্য শোনা যায়নি।
আরও পড়ুন: রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য কড়াকড়ি, আসছে নয়া নিয়ম! জানালেন অগ্নিমিত্রা পাল
বিরোধী গোষ্ঠীর এই পদক্ষেপে ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করেছেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, ”কারা কী জন্য কী করেছেন। তাঁরা চিঠি দিয়েছেন, আইনি পথে যা হবে তারা খতিয়ে দেখবেন। এরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে প্রচার করেছেন, তৃণমূলের প্রতীকে জিতেছেন। এখন এরা নেত্রীকে উপেক্ষা করে অন্য কোনও প্ররোচনায় অন্য কোনও স্বার্থে কিছু করতে যান তাহলে সাধারণ তৃণমূল কর্মীরা ও মানুষ দেখবেন।”










