সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আবারও একবার দেশে ঘটে গেল ব্রিজ বিপর্যয়। উত্তরপ্রদেশের হামিরপুরে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ একটি ব্রিজ (Hamirpur Bridge Collapsed)। এদিকে এই ঘটনার জেরে এখনও অবধি ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে। কীভাবে হল? চলুন জেনে নেবেন।
নির্মীয়মাণ ব্রিজ ভেঙে মৃত ৫
জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের হামিরপুরে তীব্র ঝড়ের কারণে একটি নির্মাণাধীন সেতুর একাংশ ধসে পড়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ছয়জন শ্রমিকের প্রাণহানি হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর ৩টার দিকে এবং শুক্রবার রাতে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বেতওয়া নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুটির একটি বড় অংশ হঠাৎ ধসে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় বেশ কয়েকজন শ্রমিক সেতুর নিচে ঘুমিয়ে ছিলেন। এই শ্রমিকরা সকালে ঘুম থেকে উঠে সেতুর কাজ পুনরায় শুরু করতেন। তবে কাজ আর করা হল না। ঘুমের মধ্যেই চলে গেলেন অনেকে।
আরও পড়ুনঃ এবার বিদেশেও ছুটবে বন্দে ভারত! রপ্তানির প্ল্যান রেলের, তালিকায় আমেরিকা সহ ৪ দেশ
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার বিষয়টির ওপর নজর রাখছেন। তারইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী যোগী ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান দ্রুত করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই দুর্ঘটনায় নিহতদের জন্য গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি শোকস্তব্ধ পরিবারদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদানেরও নির্দেশ দিয়েছেন। যদিও ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
#WATCH | Hamirpur, Uttar Pradesh: An under-construction bridge collapsed due to a severe storm. Five workers killed, several others feared trapped. Rescue operations are underway. Latest visuals from the spot as senior officers reach the spot. pic.twitter.com/e5vu2dcUkB
— ANI (@ANI) May 29, 2026
নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশাসন
লালপুর থানা এলাকার মোরাকান্দার এবং কুরারার মাওয়াইজারকে সংযুক্ত করার জন্য সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর, বিভিন্ন থানার পুলিশ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়াদের উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। জানা গেছে, প্রবল বৃষ্টি, প্রবল ঝড়ের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। একই সঙ্গে অভিযোগ উঠছে যে নির্মাণস্থলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বর্তমানে ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান চলছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়া মানুষের সংখ্যা দেখে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে মৃতের সংখ্যা ১০-এ পৌঁছাতে পারে।










