সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: কৃষকদের জন্য মানবিক সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের। এবার রাজ্যের মোট ৩২ লক্ষ কৃষকের ঋণ (Agricultural Loan) মকুব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি সরকার। পুণ্যশ্লোক অহিল্যাদেবী হোলকর কৃষক ঋণমুক্তি প্রকল্প ২০২৬-র আওতায় মোট ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মকুব করা হবে বলেই জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। আর সেক্ষেত্রে সরাসরি ৩২ লক্ষ কৃষক এই সুবিধা উপভোগ করতে পারবে।
কৃষিঋণ মকুবের ঘোষণা রাজ্য সরকারের
প্রথমেই জানিয়ে রাখি, এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের নেতৃত্বাধীন সরকারের তরফ থেকে। রাজ্যটির রাজস্ব মন্ত্রী চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে একটি বৈঠক করে স্পষ্ট জানিয়েছেন, ঋণের বোঝার কারণে যেন আর কোনও কৃষক আত্মহত্যার পথ বেছে না নেয়। রাজ্য সরকারকেই সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে তিনি জানান, প্রকৃত সুবিধাভোগী কোনও কৃষক যেন এই প্রকল্পের থেকে বাইরে না যায়।
তবে এক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী এই প্রকল্পে মূলত তিনটি সুবিধা দেওয়া হবে। প্রথমত, ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সম্পূর্ণ মকুব করে দেওয়া হবে। দ্বিতীয়ত, ওয়ান টাইম সেটেলমেন্টের সুবিধা দেওয়া হবে। তৃতীয়ত, নিয়মিত ঋণ পরিশোধকারী কৃষকদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হবে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। সরকারের দাবি, আনুমানিক ৩২ লক্ষ কৃষক এই ঋণ মুক্তির সুবিধা উপভোগ করতে পারবে। তবে প্রকল্পের প্রথম ধাপে ১৬.৯৬ লক্ষ ঋণ অ্যাকাউন্টের তালিকা আধার যাচাইয়ের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে জেলা কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকে রয়েছে ৭.০৩ লক্ষ ঋণ অ্যাকাউন্ট, এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকে রয়েছে ৯.৯৩ লক্ষ ঋণ অ্যাকাউন্ট।
VIDEO | Mumbai: On the Farmer Loan Waiver Scheme 2026, Maharashtra Minister Babasaheb Patil says, “Fifty-six lakh farmers will benefit from this. Forty lakh crore rupees is our capital.”
(Full video available on PTI Videos – https://t.co/n147TvrpG7) pic.twitter.com/r2hhCZ9Pif
— Press Trust of India (@PTI_News) July 29, 2026
আরও পড়ুন: সোনা ও রুপোর দামে ফের পতন, কতটা কমল?
কিন্তু উল্লেখ করার বিষয়, ঋণ মকুবের জন্য কৃষকদের প্রথমে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে আধার যাচাই করে অথেন্টিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর কৃষকের নামে একটি রশিদ তৈরি হবে। সেক্ষেত্রে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ঋণের অনুমোদিত অর্থ ডিবিটির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ঋণ অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। এমনকি ঋণ পরিশোধের পর কৃষকদের ঋণ মুক্তির শংসাপত্র দেওয়া হবে। তারপর তারা নতুন খরিফ মরসুমের জন্য ব্যাংক থেকে ফের কৃষিঋণ সংগ্রহ করতে পারবে।










