বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে হওয়া বিক্ষোভে দিল্লির সাধারণ নাগরিকদের অসুবিধার কারণে ককরোচ জনতা পার্টির উপর 50 কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ আরোপের আবেদন গ্রহণ করল না দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi HC)। আবেদনকারীরা আরশোলারদের কাছে মোটা টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। তবে সেই মামলায় অভিযোগকারীদের আবেদনে সাড়া না দিয়ে তাঁদের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পরামর্শ দিল উচ্চ আদালত।
বড় সিদ্ধান্ত দিল্লি হাইকোর্টের
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ঘটনায় ককরোচদের থেকে 50 কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য দিল্লি হাইকোর্টের কাছে বিশেষ আবেদন জানিয়েছিল অভিযোগকারীরা। জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার সাথে সাথে আবেদনকারীদের বক্তব্য ছিল, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা সকলের রয়েছে। তবে ককরোচ জনতা পার্টির সদস্য এবং সমর্থকরা যেভাবে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাতে দিল্লির সাধারণ মানুষ যথেষ্ট সমস্যার মধ্যে পড়েছেন।
আবেদনকারীদের কথায়, “এই বিক্ষোভের ফলে সাধারণ মানুষের প্রচুর সমস্যা হয়েছে। অনেকের অনেক ক্ষতি হয়েছে। তাঁদের একমাত্র অপরাধ তাঁরা দিল্লির বাসিন্দা। তাঁদের যে ক্ষতি হল তা কারা পূরণ করবে!” মূলত এমন দাবিতেই আদালতের কাছে আরশোলাদের উপর সামাজিক ক্ষতিপূরণ বাবদ 50 কোটি টাকার জরিমানা চাপানোর আবেদন জানানো হয়েছিল আবেদনকারীদের তরফে। তবে সেই মামলায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করল না দিল্লি হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন: গাইঘাটায় ফের খুন, ধানক্ষেতে উদ্ধার প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীর গলা কাটা দেহ
এদিন, আবেদনকারীরা আদালতের কাছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রণালয় এবং আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়কে বিক্ষোভের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের সামাজিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করার কথাও জানায়। আর সমস্ত বক্তব্য শোনার পর শুনানি চলাকালীন দিল্লি হাইকোর্টের তরফে একেবারে স্পষ্ট করে বলা হয়, সুপ্রিমকোর্টে ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত বেশ কিছু বিষয় নিয়ে শুনানি চলছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সাম্ব্রে বলেন, “এই মামলাগুলির পরিধি কী? সুপ্রিম কোর্টে 50টির বেশি আবেদন বিচারাধীন রয়েছে।” এদিন সমস্ত সওয়াল জবাব শোনার পর মামলাকারীদের আবেদন খারিজ করে তাঁদের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার পরামর্শ দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।










