দেশব্যাপী ধর্মঘটের ঘোষণা SBI-র কর্মীদের, ৫ দিন হবে না ব্যাঙ্কের কাজ!

Published:

SBI Strike

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (State Bank of India)-র কর্মীরা। অল ইন্ডিয়া স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া স্টাফ ফেডারেশন সোমবার কলকাতায় ব্যাঙ্কটির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কার্যালয়ের বাইরে অবস্থান ধর্মঘট (SBI Strike) পালন করেছে ইতিমধ্যে। সংগঠনটি ১৬ দফা দাবি আদায়ের জন্য এই বিক্ষোভ করে, যার মধ্যে রয়েছে সাব-স্টাফ ও সশস্ত্র রক্ষী নিয়োগ, কর্মী ঘাটতি নিরসন এবং বীমা পণ্যের ভুল বিক্রয় প্রতিরোধ। তবে এটা তো সবে ট্রেলার, আসল খেলা শুরু হবে আগামী ২৫ এবং ২৬ মে। তবে এর ফলে বিপাকে পড়তে হতে পারে বহু সাধারণ মানুষকে।

দেশব্যাপী ধর্মঘটের ঘোষণা SBI-র কর্মীদের

নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে? এমনিতে খাতায় কলমে দুদিনের ধর্মঘটের কথা বলা হলেও, তা আরও কয়েকদিন দীর্ঘ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তারই সঙ্গে টানা ৫ দিন ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে বলে খবর। ফেডারেশনটি ২৫ ও ২৬শে মে দেশব্যাপী ধর্মঘটেরও ঘোষণা করেছে। ইউনিয়নের মতে, গত এক সপ্তাহ ধরে দেশজুড়ে প্রতিবাদ চলছে এবং সোমবারের অবস্থান কর্মসূচিতে ১০০ জনেরও বেশি কর্মী অংশ নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ পথকুকুর নিয়ে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! NGO, ডগ লাভার্সের আবেদন খারিজ

কলকাতা সার্কেল ইউনিটের নেতারা আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে ভাষণ দেন, তাঁদের দাবির পেছনের ‘প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা’ ব্যাখ্যা করেন এবং আগামী দিনগুলিতে একটি বৃহত্তর আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত হতে আহ্বান জানান। ফেডারেশনের জারি করা ধর্মঘটের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, ইউনিয়নের শ্রমিকরা শিল্প বিরোধ আইনের অধীনে ২৫ ও ২৬শে মে ধর্মঘটে অংশগ্রহণ করবে। ইউনিয়ন অভিযোগ করেছে যে, শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানের জন্য দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থাগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে না। তারা আরও দাবি করেছে যে, চুক্তি ও নিষ্পত্তিগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না।

৫ দিন ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে!

ধর্মঘটের ফলে শুধু দুই দিন নয়, পাঁচ দিন ব্যাঙ্কের কার্যক্রম ব্যাহত হবে। কীভাবে? সেক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, ২৩শে মে চতুর্থ শনিবার এবং ২৪শে মে রবিবার। ২৫ ও ২৬শে মে দেশব্যাপী ধর্মঘট নির্ধারিত আছে এবং ২৭শে মে, বুধবার বকরিদের ছুটি পড়েছে। ফলে হয়রানির শেষ থাকবে ব্যাঙ্ক গ্রাহকদের। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এল. চন্দ্রশেখর বলেছেন যে, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বারবার আলোচনা সত্ত্বেও কর্মচারীদের অভিযোগের সমাধান না হওয়ায় ধর্মঘট করতে বাধ্য হতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “গ্রাহকদের অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত, কিন্তু কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এই পদক্ষেপটি প্রয়োজনীয়।”