যাচ্ছে আরও ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, জ্বালানি পাঠিয়ে বাংলাদেশকে বাঁচাচ্ছে ভারত

Published:

India Bangladesh Diesel Export

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কঠিন সময়ে প্রতিবেশীদের পাশে দাঁড়ানোই ভারতের (India) ধর্ম। সেই ধর্ম পালন করতে এক চুলও পিছুপা হয় না দেশ। সম্প্রতি ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বড় প্রভাব পড়েছিল বাংলাদেশে। জ্বালানি নিয়ে একপ্রকার মাথায় হাত পড়ে গিয়েছিল তারেক রহমানদের (India Bangladesh Diesel Export)! ঠিক সেই পর্বে বন্ধুর ভূমিকা পালন করছে ভারত। প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশকে ডিজেল পাঠিয়ে বাঁচাচ্ছে নয়া দিল্লি। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন করে ভারত থেকে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও 5 হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পৌঁছচ্ছে ওপারে।

50 ঘন্টায় বাংলাদেশকে আরও 5 হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেবে ভারত

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাল অর্থাৎ শুক্রবার বিকেল থেকে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশের দিনাজপুর পার্বতীপুর পদ্ম অয়েল ডিপোতে তেল পাঠানো শুরু করেছে নয়া দিল্লি। সেই খবর ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছেন ওই ডিপোর সরকারি ব্যবস্থাপক আহসান হাবিব চৌধুরী। তাঁর দাবি, গত বৃহস্পতিবার থেকেই পার্বতীপুর রেল হেড ডিপোতে ডিজেল পাঠানো শুরু করেছে ভারত।

এ প্রসঙ্গে ওই ডিপো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ভারত থেকে 5 হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পৌঁছতে আনুমানিক 50 ঘন্টা সময় লেগে যাবে। এছাড়াও জানা গিয়েছে, আগামী 5 দিনের মধ্যেই ভারত থেকে আরও 7 হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পৌঁছবে বাংলাদেশ। এই তেল পাঠাবে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড। মূলত সে দেশে জ্বালানির সংকট এড়াতে এবং তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখতেই ভারত থেকে ডিজেল আমদানি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারেক রহমান সরকার।

অবশ্যই পড়ুন: নবদ্বীপে বিষ্ণুপ্রিয়া স্টেশনের পাশে উদ্ধার অর্ধনগ্ন মহিলার দেহ, তদন্তে রেল ও পুলিশ

উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশ জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে। আর এর মধ্যে ত্রাতা হয়ে উঠেছে ভারত। এর আগে প্রথমবারের মতো গত 11 মার্চ প্রথম দফায় ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে 5 হাজার টন ডিজেল পৌঁছে দিয়েছিল ভারত। এপ্রিল মাসে এখনও পর্যন্ত ধাপে ধাপে 30 হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বাংলাদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। যার মধ্যে গত 14 এপ্রিল ভারত থেকে 8 হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পৌঁছেছে বাংলাদেশ। যেখানে গত মাসে বাংলাদেশে মোট 22 হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাঠানো হয়েছিল।