সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আবারও একবার ভারতীয় রেল (Indian Railways) নতুন ইতিহাস গরতে চলেছে। আর এই ইতিহাস গড়তে রেলকে সাহায্য করবে ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন (Hydrogen Train)। জানা গিয়েছে, ভারতীয় রেল দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন চালানোর ক্ষেত্রে অনুমোদন দিয়েছে। ২০২৬ সালের ২২শে মে তারিখের একটি চিঠিতে, রেলওয়ে বোর্ড আরডিএসও এবং উত্তর রেলওয়েকে ১০-কোচের একটি হাইড্রোজেন ট্রেন চালু করার অনুমোদন দিয়েছে।
হাইড্রোজেন ট্রেন চালানোয় অনুমোদন রেলের
রেলওয়ে বোর্ড জানিয়েছে যে, দিল্লি ডিভিশনের জিন্দ-সোনিপত সেকশনে ট্রেনটি সর্বোচ্চ ৭৫ কিমি/ঘণ্টা গতিতে চলবে। এটিকে রেলওয়ের প্রযুক্তিগত রূপান্তরে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারতীয় রেল তার চিঠিতে লিখেছে, ‘রেলওয়ে সুরক্ষার প্রধান কমিশনার কর্তৃক গত ১৬ মার্চে পাঠানো আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রেল মন্ত্রকের অনুমোদন অনুসারে, রেলওয়ে বোর্ডকে উত্তর রেলওয়ের নির্দিষ্ট বিভাগে (জিন্দ-সোনিপত) সর্বোচ্চ ৭৫ কিমি/ঘন্টা গতিতে ১০টি হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ভিত্তিক ডিপিআরএস ১২০০ কিলোওয়াট ডিএমইউ কোচ চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’
STORY | Railways approves 10-coach hydrogen train for Jind-Sonipat route at 75 kmph speed
The Railway Ministry has granted approval to start operations of the country’s first hydrogen-powered 10-coach DEMU train at a maximum speed of 75 kmph between Jind and Sonipat under the… pic.twitter.com/MYpjJ2JpWj
— Press Trust of India (@PTI_News) May 27, 2026
ট্রায়াল রান সম্পন্ন
অর্থাৎ আগামী দিনে একসঙ্গে ১০টি হাইড্রোজেনকে চলতে দেখা যাবে। আগামী দিনে এই সংখ্যা আরও বেশ খানিকটা বাড়তে পারে বলে খবর। এক রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রেনটির পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে রিসার্চ ডিজাইনস অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অর্গানাইজেশন (আরডিএসও) এই পরীক্ষাগুলো পরিচালনা করেছে। ট্রেনটির বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু হলে, ভারত জার্মানি, সুইডেন, জাপান এবং চীনের মতো হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন পরিচালনাকারী বিশ্বের কয়েকটি নির্বাচিত দেশের তালিকায় যোগ দেবে।
হাইড্রোজেন ট্রেনের বৈশিষ্ট্য
এবার জেনে নেওয়া যাক দীর্ঘ প্রতীক্ষিত হাইড্রোজেন ট্রেনের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে। এটি বর্তমানে ব্রড গেজ প্ল্যাটফর্মে চলাচলকারী বিশ্বের দীর্ঘতম (১০টি কোচ) এবং সবচেয়ে শক্তিশালী (২৪০০ কিলোওয়াট) হাইড্রোজেন ট্রেনসেট। এই ট্রেন সেটটিতে দুটি ১২০০ কিলোওয়াট ড্রাইভিং পাওয়ার কার (ডিপিসি) রয়েছে, যেগুলোর মোট ক্ষমতা ২৪০০ কিলোওয়াট, এবং এর সাথে আটটি যাত্রীবাহী বগিও রয়েছে। কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন শূন্য; শুধুমাত্র জলীয় বাষ্প নির্গত হয়।










