DA মামলায় নয়া মোড়, পিছিয়ে যেতে পারে শুনানি

Published:

Dearness allowance

সহেলি মিত্র, কলকাতা: পিছিয়ে দেওয়া হোক বাংলার ডিএ (Dearness Allowance) মামলার শুনানি। এমনই দাবিকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গেল সর্বত্র। আজ সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court of India) বকেয়া DA মামলা নিয়ে শুনানি রয়েছে। এরপর আগামী ৩০ মে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা কর্মচারী সংগঠনগুলির। তবে আচমকাই এখন ডিএ মামলার শুনানি এক ধাক্কায় ৪ সপ্তাহ অর্থাৎ এক্ক মাস অবধি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানানো হল! সত্যিই কি তাই? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

৪ সপ্তাহে পিছিয়ে যাবে ডিএ মামলার শুনানি?

সরকারি কর্মীরা আশাবাদী যে ডিএ মামলায় এবার হয়তো কোনও সুখবর আসবে। আবার কেউ কেউ বলছেন, বাংলার মহার্ঘ্য ভাতা মামলায় নতুন সমীকরণ তৈরি ঘটে চলেছে। যদিও এখন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড, উদ্যোম মুখার্জী আবেদন জানিয়েছেন এই মামলাটি আপাতত স্থগিত রাখার জন্য। তাঁর পিটিশনার হচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের পরিষদ। কেন শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে? এর পেছনে রয়েছে একটি কারণ।

আরও পড়ুনঃ নারকেল তেলের বোতল সবসময় নীল রঙের হয় কেন? জানুন আসল কারণ

রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এ সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছিল সেটা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আগামী ৩০ মে সমস্ত পার্টির সঙ্গে একটি আলোচনায় বসবে। যে কারণে আজকের শুনানিটি আপাতত স্থগিত রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। ৪ সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন উদ্যোম মুখার্জি।

মাথায় বাজ ভেঙে পড়তে পারে সরকারি কর্মীদের

শেষ আপডেট অনুযায়ী, ২৭ মে যে শুনানিটা হোক সেটা কিন্ত আবেদনের পর্যায়তেই আছে, শীর্ষ আদালত আবেদন গ্রহণ করেনি। অর্থাৎ মামলাটি এখনও অবধি ঝুলেই রয়েছে। আগামী ৩০ মে সরকার কী কী আলোচনা করে সেট দেখার পর সুপ্রিম কোর্ট কোনও সিদ্ধান্ত নিক সেটাই দাবি করা হয়েছে মূলত। অন্যদিকে সময়মতো যদি মামলার শুনানি না হয় তাহলে সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশনারদের কপালে দুঃখ আছে সেটা বলাই বাহুল্য।