বিশ্বের সবচেয়ে খুশির শহরের মধ্যে ষষ্ঠ স্থানে ভারতের এই সিটি, প্রথম স্থানে কে?

Published:

World’s Happiest Cities 2026

অনন্যা সরকার, কলকাতা: টাইম আউট (Time Out) সাময়িকী পত্র প্রকাশ করলো তাদের এবছরের ‘বিশ্বের সবথেকে খুশির শহর’ (World’s Happiest Cities 2026)-এর তালিকা। প্রতিবছরের মতোই জনপ্রিয় ম্যাগাজিনটি বিশ্বের ২০ টি শহরের নাম প্রকাশ করেছে, যা তাদের সমীক্ষা অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে আনন্দময় শহর। আর এই তালিকার প্রথম ১০-এ জায়গা করে নিয়েছে রাজস্থানের ‘গোলাপী শহর’ জয়পুর।  

ওয়ার্ল্ড’স হ্যাপিয়েস্ট সিটিজ-র তালিকায় ভারতের শহর

টাইম আউট ম্যাগাজিনের ‘বিশ্বের সবথেকে খুশির শহর’-এর তালিকায় প্রথম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে যুক্তরাজ্যের বাথ (Bath) শহর। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পানামা-র পানামা সিটি (Panama City)। তৃতীয় স্থানটি দখল করেছে মেক্সিকোর গুয়াদালাজারা (Guadalajara)। সবচেয়ে খুশির শহরের তালিকার চতুর্থ স্থানে কলম্বিয়ার মেডেলিন। আর পঞ্চম হ্যাপিয়েস্ট সিটি হল পোল্যান্ডের ক্র্যাক।

আরও পড়ুন: নেপাল ছাড়া বিশ্বের কোন কোন দেশে ভারতীয় মুদ্রার প্রচলন আছে জানেন? দেখুন

ষষ্ঠ স্থানটি  অধিকার করেছে ভারতের ‘পিঙ্ক সিটি’ জয়পুর। ১৭২৭ সালে মহারাজা সোওয়াই দ্বিতীয় জয় সিং দ্বারা তৈরি এই জনপদ ভারতের একমাত্র শহর, যা ওয়ার্ল্ড’স হ্যাপিয়েস্ট সিটিজের তালিকায় নাম তুলেছে। জয়পুর বিশ্বের অন্যতম সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ ও স্থাপত্যশৈলীর দিক থেকে পরিকল্পিত ঐতিহাসিক পর্যটন কেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম। রাজস্থানের রাজধানী জয়পুর দিল্লি ও আগ্রার পাশাপাশি ভারতের বিখ্যাত গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল টুরিস্ট সার্কিটের একটি প্রধান কেন্দ্র। ভারতের জয়পুরের পরে সপ্তম ও অষ্টম স্থানে রয়েছে রয়েছে আমেরিকার শিকাগো ও দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন। নবম স্থানটি দখল করেছে চিনের সাংহাই। আর তালিকার দশমে রয়েছে সুইডেনের গোথেনবার্গ।

আরও পড়ুন: PoK নিয়ে রাজনাথের মন্তব্যের পর আতঙ্ক! বিশ্বের কাছে ভারতের উপর চাপ সৃষ্টির দাবি পাকিস্তানের

জানিয়ে রাখি, এই বার্ষিক তালিকাটি বিশ্বজুড়ে ২৪,০০০-এরও বেশি মানুষের মতামতের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এই সমস্ত ব্যক্তিরা খাবার, সংস্কৃতি, নৈশজীবন, প্রাকৃতিক পরিবেশ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং সামগ্রিক সুখের মতো বিভিন্ন বিষয়ের ভিত্তিতে নিজেদের শহরকে মূল্যায়ন করেন। তাই এই তালিকায় ভারতের একমাত্র শহর হিসেবে জয়পুরের জায়গা করে নেওয়া ভারতবাসীদের কাছে গর্বের কারণ হয়ে উঠেছে।